আইনি প্রশ্নেই আইনি জটিলতা বাড়িয়ে আপাতত আদালত অবমাননা থেকে সাময়িক স্বস্তি এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের।
এখনই ২২ লাখ OMR প্রকাশ করতে হচ্ছে না কমিশনকে। বেতন ফেরতের ইস্যুও ঝুলে রইল হাইকোর্টে।
আইনি প্রশ্নেই মামলা ঝুলে রইল হাইকোর্টে। অর্থাৎ ২২ লাখ ওএমআর প্রকাশ নিয়ে নিজস্ব সিদ্ধান্তেই বহাল রইল এসএসসি। তারা চাইলে OMR প্রকাশ করবে নয়তো নয়। ২৮ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানি। আদালত অবমাননার মামলার শুনানি কোন আদালতে হবে। হাইকোর্ট না সুপ্রিম কোর্টে? আগে এই আইনি প্রশ্নের নিষ্পত্তি চায় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত জানতে চায়, চিহ্নিত অযোগ্যদের বেতন ফেরতে কী পদক্ষেপ করেছে পর্ষদ? কারণ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ের এই অংশ বহাল রেখেছে।
শিক্ষা দপ্তরের আইনজীবী পার্থসারথী সেনগুপ্ত আদালতকে জানান, মামলা আদালতগ্রাহ্য না হওয়ায় শিক্ষা দফতর কোনও অবস্থান জানাতে পারছে না।
হাইকোর্টের নির্দেশে যদি সুপ্রিম কোর্ট পরিবর্তন করে তবে আদালত অবমাননার মামলা সর্বোচ্চ আদালতে হওয়া উচিত। ওই রায়ের অনেক অংশ পরিবর্তন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এসএলপি বা স্পেশাল লিভ পিটিশন যদি খারিজ হত তাহলে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করা যেত। ফলে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা গ্রাহ্য নয়। তাই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ অবমাননার মামলার ক্ষেত্রে কোনও অবস্থান জানাতে পারছে না। বলে জানান রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের আইনজীবী।
“OMR প্রকাশের মতন নির্দেশ অমান্যকর মামলা সুপ্রিম কোর্ট শুনতে পারে। হাইকোর্ট নয়। তাই মামলা আদালতগ্রাহ্য না হওয়ায় কোনও অবস্থান জানানোর সুযোগ নেই হাইকোর্টে।” সওয়াল এসএসসি আইনজীবী সপ্তাংশু বোসে’র৷
“কোন আইনি যুক্তিবলে হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল সুপ্রিম কোর্টে?” মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন বিচারপতি দেবাংশু বসাকে’র। বিকাশরঞ্জন জানান,
“আদালত নির্দেশ অমান্যের প্রশ্নে সংবিধানের ২১৫ ধারা অনুযায়ী ক্ষমতা দেওয়া আছে হাইকোর্টকে”। পরিশেষে এসএসসি আদালত অবমাননার মামলায় হাইকোর্ট কীভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে এই মামলায় সেব্যাপারে মূল মামলাকারীদের জানাতে নির্দেশ দিয়ে আগামী
২৮ এপ্রিল এই অবমাননা মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিসন বেঞ্চ।
