চারদিকে যখন ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চলছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের পাশে দৃশ্যতভাবে দাঁড়াল চিন। পহেলগাঁও হামলার পরে পাকিস্তানের মিনমিনে সুরে দায় এড়ানোর চেষ্টা লক্ষ্য করা গেলেও, রবিবার চিন খোলাখুলিভাবে তাদের পাশে এসে দাঁড়াল। জানা গিয়েছে, চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই টেলিফোনে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী মহম্মদ ইশাক দারের সঙ্গে কথা বলেন। আলোচনায় ওয়াং ই জানান, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, তা চিন সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ হামলার দায় সরিয়ে একটি ‘নিরপেক্ষ তদন্ত’-এর দাবি করেছিলেন। গ্লোবাল টাইমসের সূত্রে প্রকাশ, সেই দাবিকেই সমর্থন জানিয়েছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী। টেলিফোনে তিনি পাক বিদেশমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন, দুই প্রতিবেশী দেশকে সংযম দেখিয়ে আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করা উচিত।
সূত্র অনুযায়ী, হামলার ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি এবং ভারতের পদক্ষেপের বিষয়ে পাকিস্তান চিনকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেছে। তার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় চিন জানিয়েছে, “সন্ত্রাস দমন প্রতিটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পাকিস্তান সন্ত্রাস মোকাবিলায় যে চেষ্টা করছে, চিন তা সমর্থন করে।”
তবে বাস্তব ছবি আরও গভীর। পাকিস্তান প্রকাশ্যে দায় অস্বীকার করলেও, ভারতের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যা স্পষ্ট করে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলায় পাক যোগসাজশের ইঙ্গিত দেয়। এমনকি জঙ্গিদের পলায়নে পাক সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতারও প্রমাণ মিলেছে বলে সূত্রের দাবি। হামলার প্রতিক্রিয়ায় ভারত কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে — সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করা হয়েছে, এবং সমস্ত পাকিস্তানি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
