সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
দেশে যুদ্ধের দামামা। রাজ্যে রাজ্যে চলছে যুদ্ধের মহড়া। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বেসরকারি ও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোতে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন থেকে গরমের ছুটি ঘোষণা ফের আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর এই আবেদন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
দেশের সীমান্তপারে যুদ্ধের দামামা। ভারত-পাক হামলা পাল্টা হামলা চলছে সীমান্তপারে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চিন সীমান্ত লাগোয়া রাজ্যগুলির সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছে কেন্দ্র। সীমান্তবর্তী দশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বুধবার দুপুরেই বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে এবং ভৌগোলিক অবস্থানে নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ যে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সেকথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকেই আলোচিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বেসরকারি ও প্রাইভেট স্কুলগুলির গরমের ছুটি যাতে এগিয়ে আনা হয় ফের আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সরকারি স্কুলে গত ৩০ এপ্রিল থেকে গরমের ছুটি ঘোষণা হয়েছে। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী বেসরকারি স্কুলগুলির কাছে গরমের ছুটি এগিয়ে আনার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এবার শুধু দাবদাহ নয়, সঙ্গে যুদ্ধের দামামা বেজেছে। তাই স্কুল পড়ুয়াদের নিরাপত্তার স্বার্থে বেসরকারি ও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি এগিয়ে আনার আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দেশে যখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি সেই অনুযায়ী রাজ্যের ইংরেজি মাধ্যম ও বেসরকারি স্কুলগুলোকে আসন্ন রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন থেকে গরমের ছুটি ঘোষণা করা বাঞ্ছনীয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ গুলোর কাছে পরিস্থিতি অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আবেদনও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি অনুযায়ী এখন স্কুল ছুটি রাখা বাঞ্ছনীয়। বাচ্চারা বাড়ি থেকেই পড়াশোনা করুক সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক।”
অন্যদিকে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্ত সরকারি বিভাগীয় কর্মী আধিকারিকদের ছুটি বাতিল বলে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।
