একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এলো চমকপ্রদ খবর! উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সিদ্ধান্তে এবার পাঠ্যক্রমে সংযোজিত হল একটি নতুন এবং যুগোপযোগী বিষয়, ‘এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস’। পরিবেশ নিয়ে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি, এই বিষয়টি ভবিষ্যতের সরকারি চাকরি, গবেষণা এবং উচ্চশিক্ষার পথকে করবে আরও মসৃণ ও প্রশস্ত।
**শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এবার একাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অন্তর্ভুক্ত করছে, যা একটি প্র্যাকটিকাল বেসড সাবজেক্ট। এই বিষয়টি পড়ুয়াদের স্নাতকোত্তর স্তরে এবং গবেষণা ক্ষেত্রে যেমন সহায়ক হবে, তেমনই পিএসসি, সিএসসি-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতেও বড় ভূমিকা পালন করবে।”
বিষয়টি পড়ানো হবে আধুনিক ও বাস্তবমুখী পদ্ধতিতে। ছাত্রছাত্রীরা গবেষণাগারে হাতে-কলমে কাজ করবে, প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষায় অংশ নেবে এবং পরিবেশ সংক্রান্ত বাস্তব সমস্যার সমাধানে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাবে। যেসব শিক্ষক-শিক্ষিকা এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স নিয়ে উচ্চশিক্ষা করেছেন, তাঁরাই মূলত পাঠদানের দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়াও জীববিজ্ঞান এবং রসায়নের শিক্ষকরাও এই বিষয় পড়াতে পারবেন। ফলে পড়ুয়ারা পাবে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকের দিশা ও সহায়তা।
পূর্বে কলা, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান বিভাগের সকল ছাত্রছাত্রীই পড়ত ‘এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ’। কিন্তু এখন কলা ও বাণিজ্য বিভাগের জন্য সেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকছে, আর বিজ্ঞান বিভাগের জন্য আসছে উন্নততর এবং গবেষণাভিত্তিক ‘এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস’। এই পরিবর্তন শুধুই পাঠ্যক্রমের নয়, এটি এক নতুন ভাবনার দিগন্ত। যেখানে ভবিষ্যতের চাকরি, পরিবেশবিজ্ঞান এবং বাস্তবজ্ঞান—সব মিলিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে আগামী প্রজন্মের এক পরিপূর্ণ ভিত্তি।
