Saifullah Khalid: পাকিস্তানের মাটিতেই খতম লস্কর কমান্ডার (Lashkar-e-Taiba (LeT) operative) সইফুল্লাহ খালিদ (Saifullah Khalid)। ২০০৬ সালে নাগপুরে আরএসএসের সদর দফতরে হওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্যতম চক্রী হিসাবে এই জঙ্গিনেতার সামনে আসে। আজ রবিবার পাকিস্তানের মাটিতেই দুষ্কৃতী হামলায় মৃত্যু হয় সইফুল্লাহ’র। কে বা কারা এর পিছনে রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে পাক পুলিশের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর।
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মাতলি ফালকারা চকের কাছে সইফুল্লাহ খালিদকে (Saifullah Khalid) লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। জানা যায়, নেপালের মাটিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত। শুধু আরএসএসের সদর দফতরে হামলার ঘটনা নয়, ভারতের মাটিতে একাধিক জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল সে।
Saifullah Khalid: নেপালের মাটিকে ব্যবহার করে জঙ্গি কার্যকলাপ
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের মাটিতে মৃত লস্কর জঙ্গি আবু সইফুল্লাহ, মহম্মদ সেলিম ও রাজুল্লাহ নিজামনি নামেও পরিচিত ছিল। পরিচয় লুকিয়ে সেখানকার এক মহিলা বিয়েও করে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের নজরেও ছিল এই জঙ্গিনেতা। জানা যাচ্ছে, নেপালে লস্করের যে জঙ্গি মডিউল কাজ করে সেটির দায়িত্ব ছিল আবু সাইফুল্লাহর কাঁধেই। অর্থের জোগান থেকে একাধিক নাশকতার ছক, সে দেশে বসেই তৈরি হত বলে দাবি।
এখানেই শেষ নয়, নেপালের পথকে ব্যবহার করে ভারতের মাটিতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটানোর অভিযোগও রয়েছে। বিশেষ করে ২০০৬ সালে নাগপুরে আরএসএসের সদর দফতরে হামলার ঘটনায় সামনে আসে আবু সাইফুল্লাহ ওরফে মহম্মদ সেলিমের নাম। এছাড়াও, ২০০১ সালে রামপুরে সিআরপিএফ ক্যাম্পে হামলার ক্ষেত্রেও এই জঙ্গিনেতার নাম সামনে আসে।
গত কয়েকদিন আগেই পাকিস্তানের মাটিতে ‘অপারেশন সিঁদুরে’ একের পর এক জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। বহু জঙ্গির মৃত্যু হয় বলে দাবি। জঙ্গিনেতা মাসুদ আজহারের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যেরও মৃত্যু হয় এই অপারেশনে। এবার নিজের দেশের মাটিতেই দুষ্কৃতী হামলায় খতম পাকজঙ্গি।
