কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে কেন্দ্র এবং রাজ্যকে, একেবারে টিম ইন্ডিয়ার মতো। আর সেভাবে কাজ করলে কোনও লক্ষ্যে পৌঁছনই অসম্ভব নয়। নীতি আয়োগের বৈঠকে এমনটাই মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। আজ শনিবার নীতি আয়োগের গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক ছিল। সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাই এদিন এই বৈঠকে যোগ দেন। যদিও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন না।
ওই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী টিম ইন্ডিয়ার মতো কেন্দ্র এবং রাজ্যকে একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেন। একই সঙ্গে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলার বার্তাও দেন। আর তা করতে গেলে রাজ্যগুলির বিকাশও যে প্রয়োজন সেটাও এদিনের বৈঠক থেকে বুঝিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে করা বৈঠকে এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়নে জোর দিতে হবে। ‘বিকশিত ভারত’ ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন। এক্ষেত্রে রাজ্যগুলির উন্নতি খুব প্রয়োজন। আর তা না হলে কখনও দেশ এগোবে না। এক্ষেত্রে ‘২০৪৭ বিকশিত ভারতের জন্য বিকশিত রাজ্যে’র কথা বলেন নরেন্দ্র মোদী। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এদিন পর্যটন নিয়েও আলোচনা করেন। রাজ্যগুলিকে পর্যটনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের কথা মাথায় রেখে পর্যটনের ক্ষেত্রে সমস্ত সুযোগ সুবিধা এবং পরিকাঠামোর গড়ে তোলার উপর জোর দেন এদিন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি মনে করেন, এটা সম্ভব হলে শহরগুলির পর্যটনে জোয়ার আসবে। নয়া দিল্লির ‘ভারত মণ্ডপমে’ এদিন নীতি আয়োগের বৈঠক হয়। জানা যায়, শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং কেরলের পিনারাই বিজয়নও এদিনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না।
বলে রাখা প্রয়োজন, গতবারের বৈঠকে অবশ্য উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বৈঠক ছেড়ে মাঝ পথেই বেরিয়ে যান তিনি। অভিযোগ ছিল, বক্তব্য রাখার সময় তাঁর মাইক মাঝ পথেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেখানে এনডিএ’য়ের শরিকদের দীর্ঘ সময় বলতে দেওয়া হয়, সেখানে পাঁচ মিনিট বলার পরেই কেন মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় তা নিয়েও সরব হয়েছিলেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান।
