গাজায় কোনোভাবেই হামলা থামাচ্ছে না ইজরায়েল।সোমবার বিমান হামলায় গাজার স্কুলে ২৫ জনের নিহত হওয়ার খবর মিলেছে। যাদের বেশিরভাগই শিশু।ইজরায়েলি হামলায় ফাহমি আল-জারজাওয়ি স্কুলে আগুন ধরে যায়।পরে গাজার অসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এই স্কুলে গাজার দারাজ এলাকার শত শত বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।জানা গেছে, গাজায় রাতে দুটি আলাদা ইজরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৪৪ জন প্যালেস্তেনীয় নিহত হয়েছেন।
কিন্তু স্কুলের আশ্র্য় শিবিরে ইজরায়েলের এভাবে নির্মম হামলায় প্রশ্ন উঠেছে।যদিও ইজরায়েলি সেনাবাহিনী সোমবার জানিয়েছে, রাতের হামলা গাজায় হামাসের একটি কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করেই করা হয়েছিল।এটি “ইজরায়েলি অসামরিক নাগরিক ও সেনাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনা ও গোয়েন্দা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।” ইজরায়েল জানিয়েছে, অসামরিক লোকজনের ক্ষতি কমানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার জবাবে ইজরায়েলের এই অভিযান শুরু হয়।হামাস হানায় ১,২০০ ইজরায়েলির মৃত্যু হয়।এই যুদ্ধ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে এবং প্রায় ২০ লক্ষ বাসিন্দাকে বাস্তুচ্যুত করেছে।গাজার হেলথ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৫৩,০০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই অসামরিক নাগরিক।
গাজার মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ইজরায়েলি সেনাবাহিনী সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে ও বোমাবর্ষণের মাধ্যমে গাজার প্রায় ৭৭% এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, যার ফলে বাসিন্দারা তাদের বাড়িঘর থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।এ মাসে গাজায় সামরিক অভিযানের মাত্রা বাড়িয়েছে ইসরায়েল।
প্রায় তিন মাস ধরে গাজায় কোন ত্রান প্রবেশ করতে না দেওয়ায় সেখানে খাদ্য, জল, জ্বালানি ও চিকিৎসা উপকরণের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।সব মিলিয়ে, গাজার মানুষ চরম মাত্রার মানবিক সংকটে ভুগছেন।দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইজরায়েল সাহায্য সরবরাহের অবরোধ তুলে নিলেও, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইজরায়েল পুরো গাজার নিয়ন্ত্রণ নেবে।
Jazzbaat24Bangla • Beta
Leave a comment
Leave a comment
