সিঙ্গাপুরে ২৭ মে এক প্রবাসী ভারতীয় সভায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সন্ত্রাসে মদতের অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের শীর্ষ সেনা আধিকারিকরা যেভাবে চিহ্নিত সন্ত্রাসবাদীদের জানাজায় অংশ নিচ্ছেন, তা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, পাকিস্তান কীভাবে সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, আর কত প্রমাণ চাই আপনাদের? এই সভা ছিল ‘অপারেশন সিন্দুর’–এর আন্তর্জাতিক প্রচারের অংশ, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে ভারতের অবস্থান তুলে ধরছেন।
অভিষেক আরও বলেন, এই বিষয়ে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে তিনি সব সময় দেশের স্বার্থে থাকবেন। তিনি জানান, আমি কেন্দ্রীয় সরকারের অনেক বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করি, কিন্তু দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপোস নয়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্বও তুলে ধরেন এবং বলেন, আজ টুইটারের থ্রেড কূটনৈতিক বার্তার থেকেও দ্রুত ছড়ায়। আমাদের সেই মাধ্যমকে কাজে লাগাতেই হবে।
এই প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিজেপির অপরাজিতা সরঙ্গী, হেমাং জোশী, ব্রিজ লালা, কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ, সিপিএমের জন ব্রিটাস প্রমুখ। নেতৃত্বে ছিলেন জেডিইউ নেতা সঞ্জয় কুমার ঝা। ঝা বলেন, পাকিস্তানের গোটা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোই সন্ত্রাসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি জানান, ‘অপারেশন সিন্দুর’ সম্পূর্ণভাবে লক্ষ্যভিত্তিক এবং এতে কোনও সাধারণ নাগরিক বা সামরিক পরিকাঠামো আক্রান্ত হয়নি।
৭ মে, ভারতের সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তান ও পিওকে-তে হিজবুল মুজাহিদিন, লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদের ন’টি ঘাঁটি ধ্বংস করে। এই অভিযান ছিল ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পাহালগামে সংঘটিত ভয়াবহ জঙ্গি হামলার প্রত্যুত্তর, যেখানে ২৬ জন পর্যটক নিহত হন।
