এক্তিয়ার নেই, ট্রাম্পের শুল্ক নীতি খারিজ আদালতের, বাতিল ভারত-পাক যুদ্ধবিরতি তত্ত্বও
ফের আদালতে ফের ধাক্কা খেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্কে স্থগিতাদেশ দিয়েছে মার্কিন আদালত। ম্যানহাটনভিত্তিক কোট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এক রায়ে জানিয়েছে যে যেসব দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেশি পণ্য বিক্রি করে কিন্তু কম কেনে তাদের উপর সার্বিক শুল্ক চাপিয়ে রাষ্ট্রপতি তার ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কাজ করেছেন। আদালত জানিয়েছে যে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (IEEPA)-এর অধীনে শুল্ক নির্ধারণের যে ক্ষমতা দাবি করেছেন তা আসলে জাতীয় জরুরি অবস্থায় সমস্যা মোকাবিলার জন্য তৈরি।
যদিও ট্রাম্প প্রশাসন আদালতকে শুল্ক ক্ষমতা বহাল রাখতে নানা যুক্তি হাজির করে।বলা হয়েছে এই শুল্ক নীতি থামিয়ে দিলে চিনের সঙ্গে ‘অসম’ বাণিজ্য যুদ্ধের বিরতির গতিপথ বদলে দিতে পারে এবং ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মার্কিন কর্তারা দাবি করেন যে, ট্রাম্প তার শুল্ক ক্ষমতা ব্যবহার করেই সদ্য ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করিয়েছিলেন।পাশাপাশি আদালতকে জানানো হয় যে একাধিক দেশের সঙ্গে শুল্ক সংক্রান্ত বাণিজ্য আলোচনা চলছে এবং ৭ জুলাইয়ের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত করার শেষ সময়সীমা থাকায় বিষয়টি এখনও টানাপোড়েনের জায়গায় রয়েছে।
যদিও মার্কিন আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের এই যুক্তি মানে নি। আদালত তার রায়ে বলেছে, মার্কিন সংবিধান কংগ্রেসকেই বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের একচেটিয়া ক্ষমতা দিয়েছে। এটি রাষ্ট্রপতির জরুরি ক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করে আমেরিকান অর্থনীতিকে সুরক্ষা দেয়। বিচারকরা তাঁদের রায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্য সাধনের উপায় হিসাবে শুল্ককে ব্যবহারের মেধা সংক্রান্ত দিকও বাতিল করে দিয়েছেন।
গত ২ এপ্রিল ট্রাম্প আমেরিকার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের উপর ১০% হারে এবং যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, বিশেষ করে চিন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাদের জন্য উচ্চহারে ট্যারিফ ঘোষণা করেছিলেন। বিপুল সমালোচনা ও প্রতিবাদের জেরে এক সপ্তাহ পর বেশিরভাগ দেশের উপর নির্দিষ্ট শুল্ক স্থগিত করা হয়।
আদালতের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির উপর একটি গুরুতর আইনি আঘাত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে এবং সম্ভবত মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাবে।স্মল হেড – বড় ধাক্কা ট্রাম্পের, শুল্ক নীতি খারিজ মার্কিন আদালতের
ফের আদালতে ফের ধাক্কা খেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্কে স্থগিতাদেশ দিয়েছে মার্কিন আদালত। ম্যানহাটনভিত্তিক কোট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এক রায়ে জানিয়েছে যে যেসব দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেশি পণ্য বিক্রি করে কিন্তু কম কেনে তাদের উপর সার্বিক শুল্ক চাপিয়ে রাষ্ট্রপতি তার ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কাজ করেছেন। আদালত জানিয়েছে যে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (IEEPA)-এর অধীনে শুল্ক নির্ধারণের যে ক্ষমতা দাবি করেছেন তা আসলে জাতীয় জরুরি অবস্থায় সমস্যা মোকাবিলার জন্য তৈরি।
যদিও ট্রাম্প প্রশাসন আদালতকে শুল্ক ক্ষমতা বহাল রাখতে নানা যুক্তি হাজির করে।বলা হয়েছে এই শুল্ক নীতি থামিয়ে দিলে চিনের সঙ্গে ‘অসম’ বাণিজ্য যুদ্ধের বিরতির গতিপথ বদলে দিতে পারে এবং ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মার্কিন কর্তারা দাবি করেন যে, ট্রাম্প তার শুল্ক ক্ষমতা ব্যবহার করেই সদ্য ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করিয়েছিলেন।পাশাপাশি আদালতকে জানানো হয় যে একাধিক দেশের সঙ্গে শুল্ক সংক্রান্ত বাণিজ্য আলোচনা চলছে এবং ৭ জুলাইয়ের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত করার শেষ সময়সীমা থাকায় বিষয়টি এখনও টানাপোড়েনের জায়গায় রয়েছে।
যদিও মার্কিন আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের এই যুক্তি মানে নি। আদালত তার রায়ে বলেছে, মার্কিন সংবিধান কংগ্রেসকেই বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের একচেটিয়া ক্ষমতা দিয়েছে। এটি রাষ্ট্রপতির জরুরি ক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করে আমেরিকান অর্থনীতিকে সুরক্ষা দেয়। বিচারকরা তাঁদের রায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্য সাধনের উপায় হিসাবে শুল্ককে ব্যবহারের মেধা সংক্রান্ত দিকও বাতিল করে দিয়েছেন।
গত ২ এপ্রিল ট্রাম্প আমেরিকার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের উপর ১০% হারে এবং যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, বিশেষ করে চিন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাদের জন্য উচ্চহারে ট্যারিফ ঘোষণা করেছিলেন। বিপুল সমালোচনা ও প্রতিবাদের জেরে এক সপ্তাহ পর বেশিরভাগ দেশের উপর নির্দিষ্ট শুল্ক স্থগিত করা হয়।
আদালতের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির উপর একটি গুরুতর আইনি আঘাত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে এবং সম্ভবত মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাবে।
