মাদকাসক্ত ইলন মাস্ক! যা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে চর্চা রয়েছে। কিন্তু গত মার্কিন নির্বাচনের সময় তাঁর মাদকসেবনের পরিমাণ অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যায় বলে শোনা গিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হয়ে এবার প্রচারে নেমেছিলেন টেসলা কর্তা। হারিয়ে যাওয়া সুগৌরব ফিরিয়ে এনে ‘নতুন আমেরিকা’ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। ট্রাম্পের হয়ে সেই প্রচার চলাকালীন ড্রাগ সেবন ব্যাপক ভাবে বাড়িয়ে তুলেছিলেন মাস্ক।
এক্স কর্তা (আগে-টুইটার) র ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসকে এমনটাই জানিয়েছেন। ওই সমস্ত ব্যক্তিদের কথা তুলে ধরে মার্কিন ওই সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ড্রাগের সঙ্গেই বেশ কিছু ওষুধও নিতেন ইলন মাস্ক, যার প্রভাব এতটাই ছিল যে মুত্রাশয়ের সমস্যায় বর্তমানে ভুগছেন তিনি। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই কার্যত ঝড় উঠছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগে সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন মাস্ক। শোনা যায়, মিস্টার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একাধিক ইস্যুতে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আর এরপরেই প্রশাসন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন তিনি।
আর এহেন জল্পনার মধ্যে টেসলা কর্তার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। মার্কিন ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, গত বছর ট্রাম্পের হয়ে প্রচার চলাকালীন ইলন মাস্ক একটি ওষুধের বাক্স কাছে রাখতেন। তাতে ২০ টি ওষুধ থাকত। থাকত ক্যাটামাইন বলে একটি ওষুধও। আর সেটাও মাস্কের শরীরে ব্যাপক ক্ষতি করে বলে দাবি। এমনকী মুত্রাশয়ের ক্ষতি হয় বলেও ঘনিষ্ঠ বলে জানিয়েছেন মাস্ক, দাবি ওই সংবাদমাধ্যমের।
যদিও মাদক সেবনের বিষয়ে ইলন জানুয়ারিতেই একটি ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। যেখানে তাঁর দাবি ছিল, ড্রাগ সংক্রান্ত একাধিক পরীক্ষা করা হলেও মাদক ও অ্যালকোহলের কোনও মাত্রাই শরীরে পাওয়া যায়নি। যদিও মার্কিন ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিশ্বের অন্যতম ধনী এই ব্যক্তি বিভিন্ন পার্টিতে যোগ দেন এবং ড্রাগ সেবন করে থাকেন। সংবাদমাধ্যমের এহেন দাবি যদিও ফের খারিজ করে দিয়েছেন স্পেস ও টেকনোলজি বিলিয়নেয়ার।
তাঁর দাবি, নাসার অনুরোধে এক টানা তিনবছর ধরে পরীক্ষা করালেও তাঁর শরীরে কোনও মাদক পাওয়া যায়নি। তবে ২০১৮ সালের একটি পডকাস্টে তাঁকে মারিজুয়ানা সেবন করতে দেখা যায়। এরপরেই নাসার তরফে দাবি করা হয়, স্পেস এক্সকে নিশ্চিত করতে হবে যে কর্মস্থলে মাদক সেবন চলবে না।
