ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ‘চোকার্স’ তকমা ঘোচাতে মরিয়া প্রোটিয়া শিবির এ বার বড় পরীক্ষায় নামছে। কিন্তু কেমন ছিল তাদের এই যাত্রাপথ?
শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকা ঘরের মাঠে ২-০ হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। নতুন নেতৃত্বে তেম্বা বাভুমা ও ডিন এলগার শক্ত ভিত তৈরি করেন। এর পর সফর নিউজিল্যান্ডে। যেখানে প্রথম টেস্টে বিশাল ব্যবধানে হারলেও দ্বিতীয় টেস্টে বোলারদের দাপটে সমতা ফেরায় সিরিজে। এর পর ভারত সফর ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেখানে মাত্র একটি টেস্ট খেলা হয়। কিন্তু তাতে বড় ব্যবধানে হেরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ফের জয় তুলে নিয়ে নিজেদের ফাইনালের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান রাবাডারা।
ডব্লিউটিসি ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন দলের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ছিলেন। অন্য দিকে, বল হাতে কাগিসো রাবাডা ও মার্কো জানসেন ছিলেন দুরন্ত ছন্দে। রাবাডার ধারাবাহিক আগুনে স্পেল ও জানসেনের আঁটসাঁট লেংথ দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং ইউনিটকে ভরসা জুগিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, পরিসংখ্যান বলছে, পারফরমেন্সের দিক থেকে লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার দুই পেস তারকা মিচেল স্টার্ক এবং জশ হেজেলউডের চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে রাবাডা।
প্রাক্তন কোচ মার্ক বাউচার মনে করেন, “এ বার যদি দক্ষিণ আফ্রিকা ট্রফি জেতে, তবে শুধু চোকার্স তকমা নয়, টেস্ট ক্রিকেটে নতুন এক দৃষ্টান্ত তৈরি হবে।”
লর্ডসের ফাইনাল শুধু দুই শক্তিশালী দলের লড়াই নয়— দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এক ঐতিহাসিক সুযোগ। নিজেদের চোকার্স তকমা সরিয়ে ক্রিকেটবিশ্বে নিজেদের আলাদা করে চিনিয়ে দেওয়ার।
