সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
মুখ্যমন্ত্রীর সামনেই শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা তুলে প্রশ্ন, কানই দিলেন না বিধানসভার অধ্যক্ষ। বরং একের পর এক বিরোধীদের সাসপেন্ড করা হল। আর তা নিয়েই ফের বিধানসভার ভিতরে তুলকালাম। পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা তুলে বিজেপি প্রশ্ন করায় চরম আপত্তি জানানো হয় শাসক দলের বিধায়কদের তরফে। বিধানসভার ভিতরে শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করা হচ্ছে এরকমই অভিযোগ আসতে থাকে।
রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরাতে একটি মুলতবি প্রস্তাব এনেছিল বিরোধী দল বিজেপি। বিরোধীদের দাবি মানতে নারাজ অধ্যক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকাকালীন ঘটে এই ঘটনা। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান বিষয়টি সম্পূর্ণ বিচারাধীন তাই সেটাকে নাকচ করে দেওয়া হয়। এরপর অধিবেশন কক্ষের ভিতরে বিজেপি পরিষদীয় দল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তখন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় মনোজ ওঁরাওকে সাসপেন্ড করেন। বিধানসভার মার্শালকে দিয়ে মনোজ ওঁরাওকে বের করে দেওয়া হয় অধিবেশন কক্ষ থেকে। এরপরই বিজেপির বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। কিছুক্ষণ পরেই বিজেপি পরিষদীয় দল বিধানসভা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। তারপরেই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ক শংকর ঘোষকেও সাসপেন্ড করেছেন।
প্রসঙ্গত, আগেও বিভিন্ন কারণে বিধানসভা শুরুর দিন থেকে একের পর এক অভিযোগ আনে বিরোধীদল। অধিবেশনের প্রথম থেকেই বিরোধীদের সাথে অধ্যক্ষের ঠান্ডা লড়াই অব্যাহত। এর আগেও অধ্যক্ষ বলেছিলেন, বিধানসভা বাজারি হয়ে গেছে। অনেক বিরোধীদল তিনি দেখেছেন, কিন্তু এমন বিরোধীদলএই প্রথম।” সোমবারও ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল বিধানসভায়। ফের উত্তপ্ত বিধানসভা, মুহুর্মুহু স্লোগানে বিধানসভার গরিমা ফের প্রশ্নের মুখে।
