জোহানেসবার্গ, ২০১৮। ভারত ২-০ পিছিয়ে। কঠিন ট্র্যাক, কঠিনতর পরিস্থিতি। হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। চতুর্থ দিনের লাঞ্চে বিরিয়ানির প্লেট হাতে মহম্মদ শামিকে দেখে এগিয়ে গেলেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। হালকা মজার ছলেই বললেন, “তুই বিরিয়ানি খেয়েই খিদে মিটিয়ে ফেললি নাকি?”
এর পরের গল্প বলেন ভরত অরুণ। শাস্ত্রীর মন্তব্য ভাল ভাবে নেননি শামি। প্লেট ভরা বিরিয়ানি অরুণের হাতে দিয়ে ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’ শামি বলেন—“নেহি চাহিয়ে বিরিয়ানি! ভাড় মে যায়ে বিরিয়ানি!” বাংলায় তর্জমা করলে হয়, ‘বিরিয়ানির দরকার নেই।’ তার পর মাঠে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বলতে গেলে, রায়ট লাগিয়ে মাত্র ২৮ রানে ৫ উইকেট নেন শামি। শেষ ৭ উইকেট মাত্র ২২ রানে। শামির সেই আগুনে স্পেলে ভর করে ভারত সম্মান বাঁচায়। ওয়ান্ডারার্সে ভারত জেতে ৬৩ রানে।
এই ছিল এক ‘ক্ষুধার্ত’ চ্যাম্পিয়নের গল্প। যেখানে তৃষ্ণা ছিল জয়-এর, আগুন ছিল আত্মসম্মানের। ম্যাচ জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ফিরে শামির হাসিমুখে বলেছিলেন—“বিরিয়ানিটা ঠাণ্ডা, গরম করে দাও”। এই ঘটনা শুধু একটা স্পেলের কথা নয়, এটা এক মানসিক যুদ্ধের প্রতিফলন। যেখানে বিরিয়ানি হয়ে উঠেছিল প্রতীক, আর প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছিল ইতিহাস।
