মাত্র ৬ থেকে ১২ মিনিট। অল্প সময়ের মধ্যেই ইরান থেকে ইজরায়েলে পৌঁছে যাচ্ছে সুপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল।গত ১৩ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত ইরান ৩৭০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইজরায়েলের দিকে। এর মধ্যে ফতেহ-১ এবং সাজিলের মতো সুপারসনিক মিসাইল রয়েছে, যা ঘণ্টায় প্রায় ১৬,০০০–১৮,৫০০ কিমি গতিতে ছুটে ইজরায়েলে আছড়ে পড়েছে মাত্র ৬–৭ মিনিটেই।
ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে দূরত্ব আনুমানিক ১,৩০০ থেকে ১,৫০০ কিমি। এই পথে ইরানি মিসাইল ও ড্রোনকে ইরাক, সিরিয়া, জর্ডন এবং লেবাননের আকাশসীমা অতিক্রম করতে হয়। ইজরায়েলের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’, ‘ডেভিড স্লিং’ এবং ‘অ্যারো সিস্টেম’ বেশির ভাগ ইরানি হামলা ঠেকিয়ে দিলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার চাদর ভেদ করে আঘাত করেছে রাজধানী তেল আভিভে। গত ১৩ জুন, ইজরায়েল ইরানের পরমাণু ঘাঁটি ও ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চ সাইটে নিশানা করে হামলা চালায়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল, সঙ্গে ড্রোন হামলা শুরু করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় ক্রুজ মিসাইলের গতি কম হলেও তা নিচু উচ্চতায় চলার কারণে রাডার এড়িয়ে যেতে সক্ষম। তবে তা ইজরায়েলে পৌঁছতে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় নেয়, যেখানে ড্রোনের সময় লাগে ৯ ঘণ্টা পর্যন্ত।
