নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল বাংলাদেশ। আগামী বছরের মাঝামাঝি সময় নির্বাচন চান ইউনূস। তাতে আপত্তি বিএনপি সহ সে দেশের একাধিক রাজনৈতিক দলের। যা নিয়ে গত কয়েকমাস ধরেই একটা অস্থিরতা কাজ করছে বাংলাদেশে। একই সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব বড় চ্যালেঞ্জ অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের সামনে। আর এর মধ্যেই বাংলাদেশকে ১.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক(এডিবি) এবং বিশ্বব্যাঙ্ক।
বিশেষ করে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরের আমূল সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অন্যান্য প্রকল্পের কথা মাথায় রেখেই বিপুল এই লোন পেতে চলেছে ইউনূস সরকার। সে দেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘ডেলি স্টারে’ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশের জন্য এডিবি ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে ৫০ কোটি ডলার দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে আমূল বদল আনতে খরচ করা হবে।
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাকি ৪০০ মিলিয়ন ডলার জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহ একাধিক প্রকল্পকে সাহায্য করবে। এর মধ্যে রাস্তার উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সেক্টরের উন্নয়ন সহ একাধিক প্রকল্প আছে বলে জানা যাচ্ছে।
কয়েকটি পর্যায়ে বাংলাদেশকে এই ঋণ দেবে এডিবি।
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশকে এই লোন ধাপে ধাপে দেবে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক(এডিবি)। এক বার্তায় তারা জানিয়েছে, ৫০ কোটি ডলার বাংলাদেশের ব্যাঙ্ক সেক্টরে বদল আনবে। দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা মজবুত হবে। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ। আর তা সামাল দিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ সামলানো ছাড়াও কার্বন নিঃসরণ কমানো সহ একাধিক ব্যবস্থা নিতে বিপুল অঙ্কের লোন ইউনূস সরকারকে দিচ্ছে এডিবি।
কোন কোন প্রজেক্টে লোন দিচ্ছে ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক
এডিবি ছাড়াও বিশ্ব ব্যাঙ্কের তরফে বাংলাদেশকে বিপুল অঙ্কের লোন দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সে দেশে গ্যাস সাপ্লাই বাড়ানো সহ দুটি আলাদা আলাদা প্রকল্পের মধ্যে ৬৪ কোটি ডলার লোনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক এবং বিশ্বব্যাঙ্ক বিপুল লোন মঞ্জুর করায় বাংলাদেশের উপর আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
