মাত্র ২৮ বছর বয়সেই থামল সফর। মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়লেন পর্ন তারকা কাইলি পেজ। এত অল্প বয়সেই মৃত্যু? অতিরিক্ত মাদক সেবনই কি কাল হল? প্রাথমিক রিপোর্টে আন্দাজ করা হয়েছিল তেমনই। তবে তাঁর মৃত্যুতে যে কোনও অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেনি, সে ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত করা হয়েছে তদন্তকারীদের তরফে।
গত ২৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলসে নিজের বাড়ি থেকেই নিথর দেহ উদ্ধার হয় কাইলির পেজ ওরফে কাইলি পাইল্যান্টের। TMZ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেত্রীর এক বন্ধুই কাইলির খোঁজ নিতে গিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পুলিশে খবর দেন। যতক্ষণে দমকল বাহিনী সেখানে উদ্ধারে পৌঁছয়, কাইলি তার আগেই প্রাণত্যাগ করেছেন। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অফিসাররা তাঁর বাড়িতে ফেন্টানিল এবং মাদকের সরঞ্জামের পাশাপাশি অ্যাপার্টমেন্টের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে তাঁর সঙ্গমের ছবি খুঁজে পান। তাতেই প্রাথমিক ধারণা করা হয় যে অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণেই মৃত্যু হয়েছে কাইলির। যদিও তার দেহের নমুনা পরীক্ষা চলছে, যার ফল এখনও মেলেনি।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
আমেরিকার ওকলাহোমার বাসিন্দা কাইলি। ভিক্সেন মিডিয়া, ক্যানাডিয়ান পর্ন ওয়েবসাইট Brazzers-এর মতো সংস্থায় কাজ করার পর অ্যাডাল্ট এন্টারটেনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০১৬ সাল থেকে সফর শুরু তাঁর, এবং কাজ করেছেন প্রায় ২০০টিরও বেশি ছবিতে। তাঁর মৃত্যুর পর কাইলির পরিবার ‘গো ফান্ড মি’ নামে একটি পেজ তৈরি করে শেষকৃত্যের খরচ তোলার জন্য। আমেরিকার স্থানীয় তারিখ ৪ জুলাই পর্যন্ত হিসেব বলছে এই ফান্ডে জমা পড়েছে ১৪ হাজার ১৫৯ ইউএস ডলার। তাঁদের লক্ষ্য ১৮ হাজার ডলার জোগাড় করা।
ইউটিউবেও জাজবাত, আপডেট থাকুন আমাদের সঙ্গে
কাইলির মৃত্যুতে অসংখ্য অনুরাগীর পাশাপাশি শোকস্তব্ধ অ্যাডাল্ট এন্টারটেনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিও। শোকপ্রকাশ করা হয়েছে প্রযোজনা সংস্থা ব্রেজার্সের তরফে। তাদের সঙ্গে একাধিক কাজ করেছেন তিনি। ব্রেজার্সের অফিসিয়াল হ্যান্ডল থেকে একটি পোস্ট করা হয়। সেই বিবৃতিতে লেখা, ‘কাইলি পেজের মৃত্যুতে ব্রেজার্স টিম গভীরভাবে শোকাহত। কাইলি তাঁর হাসি, দয়ালু হৃদয়ের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এই কঠিন সময়ে আমরা কাইলির পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং ভক্তদের আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাই।’ মাত্র ২৮ বছর বয়সে কাইলির মৃত্যু ফের একবার বিনোদন দুনিয়ায় মাদক সেবনের প্রবণতা এবং তার আধিক্যে প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলল। অভিনেত্রীর বাড়ি থেকে যে মাদক মিলেছে তা নাকি হেরোইনের থেকেও ভয়ানক। এর আগেও অতিরিক্ত ফেন্টানিল সেবনেই মৃত্যু হয়েছে একাধিক তারকার।
