আলু চাষি ও আলু ব্যবসায়ীদের উন্নতিকল্পে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তৈরি হল নতুন সংগঠন। আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে আলুর কালোবাজারি রোধ করার দায়িত্ব থাকবে এই সংগঠনের উপর। রাজ্যের চার মন্ত্রীর উপস্থিতিতে রবিবার তৈরি হল এই সংগঠন। যার নাম দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রগ্রেসিভ পটেটো গ্রোওয়ার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন।
হুগলির হরিপালে আয়োজিত হয় এদিনের অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষি বিপণন প্রতিমন্ত্রী বেচারাম মান্না, কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, গ্রন্থাগার মন্ত্রী বিকাশ দেবনাথ ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার-সহ একাধিক বিধায়ক ও বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হুগলি এবং পার্শ্ববর্তী জেলার আলু ব্যবসায়ীরা। মূলত কৃষকদের স্বার্থে কাজ করবে উক্ত সংগঠন। সরাসরি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করবে তারা। ক’দিন পর থেকে রাজ্যজুড়েই সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ শুরু হবে।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
এতদিন পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতি নামে একটি সংগঠন ছিল। এবার আরও একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটল শাসকদলের পৃষ্ঠপোষকতায়। কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানান, “মুখ্যমন্ত্রী চান সমস্ত শ্রেণির মানুষ উপকৃত হবেন। তা থেকেই এই সিদ্ধান্ত। সব কিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়। কিন্তু তা না করে ধর্মঘট ডেকে দেওয়া ঠিক নয়।”
কৃষি বিপণন দফতরের প্রতিমন্ত্রী বেচারাম মান্নার দাবি, “সংগঠন মানেই সবার স্বার্থ দেখা। কিন্তু যে সংগঠন ছিল তারা দু-একজনের স্বার্থ দেখত। সরকারের সিদ্ধান্তকে মানত না। সরকারকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করত। সেই জন্যেই আলু চাষি ও আলু ব্যবসায়ীদের উন্নতি করার জন্য বিকল্প সংগঠনের প্রয়োজন আছে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই সংগঠন তৈরি করা হল।”
