বাড়িটা না হয় বাদই দিলাম। কিন্তু বাইরেও একের বেশি মহিলা একসঙ্গে বসলেই কথার ফুলঝুরি ছুটবে না, তা কি হয়? মহিলাদের এমনিতেই দুর্নাম রয়েছে বেশি কথা বলার জন্য। এবার ভাবুন, কোনও মহিলা যদি হন খুব শান্ত স্বভাবের। নিজের কাজ নিয়েই সারাক্ষন ব্যস্ত। তাহলে নিশ্চই একে আপনি ভালো গুণ বলবেন। এই ভালো গুণের জন্যই যদি আবার তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়, তাহলে? বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে এক অফিসে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে এমনটাই দাবি করেছেন বছর ২৯-এর এক যুবতী। তিনি জানিয়েছেন, অফিসে চুপচাপ থাকার কারণে তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। শুনে আশ্চর্য হলেন তো ! ওই যুবতীর দাবি, তিনি এক মার্কেটিং এজেন্সির অ্যানালিটিক্স বিভাগে কাজ করেন। যেহেতু স্প্রেডশিট ও তথ্য নিয়েই কারবার, তাই গুলতানিতে মত্ত না থেকে নিজের কাজে ফোকাস করাই সঠিক বলে তাঁর মনে হয়েছিল। কিন্তু এরিন নামে তাঁর এক সহকর্মী এই বিষয়টি নিয়ে প্রায়ই তাঁকে কথা শোনাতেন। এমনকী তিনি মিটিংয়েও খুব বেশি কথা বলেন না, এই অভিযোগও করতেন তিনি। শেষপর্যন্ত একেবারে হিউম্যান রিসোর্স দপ্তরেই (এইচআর) নালিশ করে বসেন এরিন। এইচআর তাঁকে ডেকে পাঠান। যদিও তাঁর ম্যানেজার তাঁকেই সমর্থন করেন।
তবে এখানেই শেষ নয়, এরিন নাম ওই যুবতী তার প্রথম অভিযোগে কাজ না হওয়ায় ফের দ্বিতীয়বার নালিশ করেন। তিনি দাবি করেছেন, এভাবে সহকর্মীদের থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে আসলে তিনি গোটা টিমেরই মনোবল ভাঙছেন! প্রশ্ন তুলেছেন, কাজ যতই থাক অফিসের গ্রুপে কোনও মজার কথা হলে কেন সেখানেও ইমোজি পাঠান না ওই যুবতী। অফিসের ভিতরে হওয়া আড্ডায় কারও কোনও ব্যক্তিগত বিষয়েও মাথাব্যথা নেই তাঁর।
এই ভিডিও দেখার পর অধিকাংশ মানুষ শান্ত যুবতীর পাশে দাঁড়িয়েছেন । তাঁদের মতে এটাই পেশাদারিত্ব। নিজের কাজটাই মন দিয়ে করে যাওয়া।
Jazzbaat24Bangla • Beta
Leave a comment
Leave a comment
