ক্রমশ মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হচ্ছে গাজা। যুদ্ধের নামে সাধারণ মানুষের এই দুর্দশা দেখে রাষ্ট্রসঙ্ঘ থেকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা প্রশ্ন তুলছেন বারবার।এমন পরিস্থিতিতেই গাজায় মানবিক সহায়তার জন্য ৩টি এলাকায় প্রতিদিন ১০ ঘণ্টার ‘কৌশলগত বিরতি’ ঘোষণা করল ইজরায়েল। রবিবার ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা গাজার মুয়াসি, দেইর আল-বালাহ এবং গাজা শহরে প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই বিরতি কার্যকর করবে।
কেন করা হচ্ছে এই ‘কৌশলগত বিরতি’? ঘোষণায় বলা হয়েছে, গাজায় সাহায্য পৌঁছে দিতে আগ্রহী সংস্থাগুলি খাদ্য এবং অন্যান্য জরুরি পণ্য সরবরাহের জন্য নিরাপদ পথ যাতে পেতে পারে, তাঁর জন্যে এই ব্যবস্থা। শনিবার ইজরায়েলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ফের বিমানপথে ত্রাণ ফেলা চালু করা হবে, যাতে খাবারের কষ্ট থেকে মুক্তি পায় মানুষ।
গাজা থেকে বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট জানাচ্ছে যে সেখানকার বিভিন্ন হাসপাতালে এখন কঙ্কালসার শিশুদের ভিড়। চিকিৎসা, ওষুধ ও খাবার প্রায় শেষ।প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছে অপুষ্টিতে ভুগতে থাকা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্করা। ইজরায়েল অবরোধ করে রেখে সেখানে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তোলে রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিভিন্ন সংস্থা। ক্ষোভ তৈরি হয় বিশ্বজুড়ে।
তবে ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট বক্তব্য, এই মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও হামাস এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জারি থাকবে। একদিন আগেই হামাস তাদের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, হামাস আদৌ যুদ্ধবিরতি চায় না। আমার মনে হয় ওরা মরতে চায়।
Leave a comment
Leave a comment
