মহাকুম্ভের পর এবার হরিদ্বার। ফের পদপিষ্ট হয়ে পুণ্যার্থীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। হরিদ্বারের মনসা দেবীর মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে অন্ততপক্ষে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত ৪০ এর বেশি পুণ্যার্থী। উত্তরাখণ্ডের রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও অন্যান্য উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং উদ্ধারকাজ চলছে।
গাড়োয়ালের ডিভিশন কমিশনার বিনয় শঙ্করকে জানিয়েছেন, পদপিষ্ট হয়ে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
পদপিষ্টের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি। আহতদের দ্রুত সুস্থ কামনা করেন তিনি। সরকারের তরফে সব রকম সাহায্যেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
কী কারণে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল, তা এখনও জানা যায়নি। অবশ্য পবিত্র শ্রাবণ মাসের কারণে মন্দিরে প্রচুর ভিড় জমেছিল। হরিদ্বার শহরের মধ্যেই মনসা পাহাড়ের ওপরে মনসা দেবীর মন্দির। পর্যটকদের জন্য রোপওয়ের ব্যবস্থা থাকলেও পুণ্যার্থীরা সাধারণত সিঁড়ি ভেঙে পাহাড়ের চূড়ায় উঠেই পূজো দিতে যান। মনে করা হচ্ছে, ওই সিঁড়িতেই পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল। এর জেরে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। অনেকে একে অপরের ওপরে পড়ে যান এবং নীচে পড়ে যাওয়া পুণ্যার্থীদের ডিঙিয়ে মন্দিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন অনেকেই। এতেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য এই বছরেই ২৯ জানুয়ারি প্রয়াগের মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে কমপক্ষে ৩০ জনের মৃত্যু হয়। ২০২২ সালে জম্মুর বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ১২ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
