ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন শুভমন গিল। ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন ৭০০ রান। একইসঙ্গে অবশ্য দলের নেতৃত্বের ভারও রয়েছে তাঁর কাঁধে। কিন্তু সেখানেই দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। অফিসিয়াল অধিনায়ক হলেও দলের নেতা কি সত্যিই গিল? এমনই সন্দেহই প্রকাশ করেছেন সুনীল গাভাসকরের মতো প্রাক্তনীরা।
চলতি ইংল্যান্ড সফরের আগেই টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন রোহিত শর্মা। এরপরই ২৫ বছর বয়সি গিলকে টেস্টের অধিনায়ক হিসেবে হিসেবে মনোনীত করে বোর্ড। কিন্তু বিলেতের বুকে গিলের অধিনায়কত্ব নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে অধিনায়কের ভূমিকা নিয়েও। এমনটা অনেকেই মনে করছেন যে, গিলকে শিখণ্ডী খাড়া করে দল চালাচ্ছেন আসলে গুরু গম্ভীরই।
সম্প্রতি সম্প্রচারকারী চ্যানেলের আলোচনায় বসে একই সুর শোনা গেল গাভাসকরের গলাতে। ইংল্যান্ডের দুই প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন এবং নাসির হুসেনের সঙ্গে আলোচনায় লিটল মাস্টার বলেন, “গিলের বয়স মাত্র ২৪-২৫। এখনও ৮ থেকে ১০ বছর খেলবে ও। নিজের দল ওকে নিজেকেই তৈরি করতে হবে। কিন্তু বয়স কম বলে ওর মধ্যে একটু আত্মবিশ্বাসের অভাব আছে হয়তো। তা গম্ভীর বেশ কঠিন চরিত্রের কোচ। তাই অধিনায়কত্বের শুরুতে এটাই গিলের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।”
এক কথায়, অধিনায়ক হিসেবে শুভমনের স্বাধীনতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন গাভাসকর। যাতে সায় দেন দুই ইংরেজ অধিনায়ক। বিশেষ করে মাইকেল ভন জানান, “সাদা বল আর লাল বল গুলিয়ে ফেললে চলবে না। সাদা বলের ক্রিকেটে কোচ হিসেবে অবশ্যই গম্ভীর খুব ভালো। কিন্তু টেস্টে উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে।” পাশাপাশি গাভাসকর আরও যোগ করেন, “দল মাঠে নামার পর সব দায়িত্ব অধিনায়কেরই। সেখানে কোচের কোনও ভূমিকা থাকে না। পরিস্থিতি বুঝে সকল সিদ্ধান্ত দলের নেতাকেই নিতে হয়। কোচ বড়জোর ক্রিকেটের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন।”
