অবশেষে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা টানাপোড়েনের অবসান, ক্ষমতার দ্বিতীয় পর্বে এসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বড়সড় বাণিজ্য চুক্তি সেরে ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবারই তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি নতুন বাণিজ্য কাঠামোর জন্য ঐকমত্যে পৌঁছেছে, যা দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা টানাপোড়েনের অবসান ঘটাল। সিএনএন প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েনের সঙ্গে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে বৈঠকের পর ট্রাম্প এই ঘোষণা করেন।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের থেকে আমদানি করা বেশিরভাগ পণ্যের উপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে গাড়ি, ওষুধ ও সেমিকন্ডাক্টর। পাশাপাশি, চুক্তি অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমেরিকা থেকে ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি কিনবে এবং অতিরিক্ত ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। এই চুক্তির বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা না হলেও ট্রাম্প একে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চুক্তি’ বলে দাবি করেছেন।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
অন্যদিকে উরসুলা ভন ডার লেয়েনও একে আটলান্টিকের দুই পারের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। ইউরোপীয় নেতাদের বড় অংশই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও মিশ্র প্রতিক্রিয়াও এসেছে। যেমন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই চুক্তিকে ‘ইতিবাচক’ বলে উল্লেখ করলেও আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মিখায়েল মার্টিন একে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং বলে জানান।
আরও পড়ুন
আগে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তা নিয়ে হইচইও কম হয়নি। তার সময়সীমা ছিল ১ আগস্ট, শুক্রবার। তবে এবারের চুক্তিতে ইউরোপ চেয়েছিল শুল্কের হার ১০ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকুক।তবে ট্রাম্প জানিয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্র ১৫ শতাংশের কমে চুক্তি করতে রাজি নয়।
