এখনও পর্যন্ত স্বাধীন দপ্তর বা স্বায়ত্তশাসনের অনুমোদন মেলেনি, তবে পর্যায়ক্রমে রাজ্যের মূখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকে ‘স্ব-ক্ষমতা’ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল। তারই প্রাথমিক ধাপ হিসেবে সোমবার নতুন আর্থিক নিয়ামক বা ফিনান্স কন্ট্রোলার নিযুক্ত হল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে। সম্পূর্ণরূপে আর্থিক উপদেষ্টা না পেলেও খুব শীঘ্রই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার সুপারিশ করার ক্ষমতা পাবেন ওই ফিনান্স কন্ট্রোলার বলে জানানো হয়েছে রাজ্য অর্থ দপ্তরের পক্ষ থেকে। উল্লেখযোগ্য, একজন ফিনান্স কন্ট্রোলার ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন পেতে পারেন।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারের কাছে একটি নির্দেশনামা পাঠিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দপ্তরকে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য একটি পৃথক নির্বাচন দপ্তর তৈরি ও ওই দপ্তরের জন্য একজন পৃথক আর্থিক উপদেষ্টা নিয়োগের কথা বলা হয়। মূলত স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য এই ব্যবস্থা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করা হয়। প্রাথমিকভাবে নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশিকা নিয়ে জল ঘোলা হলেও নবান্নর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে এই নির্দেশিকাকে মান্যতা দেওয়ার কথা জানানো হয়। তারই প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে ফিনান্সিয়াল কন্ট্রোলার বা আর্থিক নিয়ামক পদে নিয়োগ করা হয়েছে। যাঁকে আর্থিক উপদেষ্টার সমতুল ক্ষমতা দেওয়া হবে বলে রাজ্য অর্থ দপ্তর ও সিইও দপ্তরকে জানিয়েছে। অর্থাৎ ধাপে ধাপে রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকে স্বাধীন ক্ষমতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার।
