বেঙ্গালুরু এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স এবং ওড়িশা এফসির পর এবার চেন্নাইয়িন এফসি। দু-বারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়িন, তাদের ফুটবল সংক্রান্ত যাবতীয় কাজকর্ম স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছে। আইএসএল ঘিরে অনিশ্চয়তার মাঝেই এমন পদক্ষেপ, অভিষক বচ্চন ও ভিটা দানিদের মালিকানাধীন ক্লাবের।
মাস্টার রাইটস এগ্রিমেন্ট তথা এমআরএ ঘিরে ফুটবলের সর্বভারতীয় নিয়ামক সংস্থা এআইএফএফ এবং তাদের মার্কেটিং পার্টনার এফএসডিএল এর টানাপোড়েন অব্যাহত। বিষয়টি গড়িয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতেও। যার জেরে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ ফুটবল ঘিরে সঙ্কট দিনকে দিন তীব্রতর হচ্ছে। আইনি সঙ্কটের মাঝেই আইএসএল এর ৮ ক্লাব কর্তাদের নিয়ে বৃহস্পতিবারই বৈঠকে বসছে এআইএফএফ। রাজধানীতে ফেডারেশনের ফুটবল হাউসে রয়েছে বৈঠক।
গত সপ্তাহে বেঙ্গালুরু এফসি জানিয়েছিল, সুনীল ছেত্রী সহ সিনিয়র দলের সব ফুটবলারদের পেমেন্ট আপাতত বন্ধ করা হয়েছে। তার আগে কেরালা ব্লাস্টার্স দলের বিদেশি ফুটবলারদের চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে যাওয়ার ছাড়পত্র দিয়েছে। অন্যদিকে, ওড়িশা এফ সি ফেডারেশনের ”ফোর্সা মেজার” লাগু করেছে। যার জেরে ক্লাবের সঙ্গে দলের সব ফুটবলারদের যাবতীয় চুক্তি আর কার্যকরী করার বাধ্যবাধকতা থাকছে না। আইএসএল-এ খেলা একের পর এক ক্লাবের এমন কড়া পদক্ষেপে তীব্র সঙ্কট ভারতীয় ফুটবলে।
চেন্নাইয়িন এফসি সমাজমাধ্যমে পরিচালকমণ্ডলীর সিদ্ধান্ত যেমন জানিয়েছে, তেমনি লিখেছে, ফুটবল সংক্রান্ত যাবতীয় কাজকর্ম বিরতি রাখার সিদ্ধান্ত স্বল্পস্থায়ী তথা সাময়িক। অনিশ্চয়তা দূর হলেই আবার শুরু করা হবে যাবতীয় কাজ। জানানো হয়েছে, দলের খেলোয়াড়, কোচ, কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের কল্যাণকে তাঁরা অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তাঁরা অবিরাম সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
চেন্নাইয়িনের দাবি, ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি ও বিকাশে তারা আগের মতোই অঙ্গীকারবদ্ধ। আর যে লক্ষ্য সামনে রেখে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আগের মতোই দৃঢ় রয়েছে। শুধু এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে অনুগত সমর্থকদের পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে ক্লাবের ঘোষণা পত্রে।
