ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটারের নাম তোলার অভিযোগে নয়া পদক্ষেপ রাজ্যের। সোমবার দুপুরেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা নির্বাচন কমিশনকে জানানোর পর মুখ্যসচিবের নির্দেশে গঠিত হল তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের এক সিনিয়র আধিকারিকের নেতৃত্বে এই কমিটি কাজ করবে। মুখ্যসচিব কমিশনকে জানিয়েছেন, রাজ্য পৃথকভাবে অন্তর্বর্তী তদন্ত করে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নেবে। তদন্ত কমিটিকে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত দুই ইআরও, দুই এআইআরও এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকেও তলব করা হবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।
এদিকে, নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও নির্বাচন কমিশনের সুপারিশ যথাযথভাবে রাজ্য প্রশাসন পালন না করা এবং সেক্ষেত্রে মুখ্যসচিবের জবাব বা ব্যাখ্যা কতটা সন্তোষজনক তা এখনো স্পষ্ট করেনি কমিশনের কর্তারা। নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের দোষ স্বীকার করা দুই ইআরও এবং দুই এইআরও-কে সাসপেন্ড বা তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার কোনও নির্দেশকেই মান্যতা দেয়নি রাজ্য প্রশাসন। শুধুমাত্র দুই অভিযুক্তকে আপাতত ভোটার তালিকা তৈরির কাজ থেকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এ কথাই কমিশনকে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। এমনকি কমিশনকে লেখা চিঠিতে অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকদের সরকারি কাজে দায়িত্ব ও আনুগত্য এবং কাজের চাপের সমস্যা নিয়ে সওয়াল করে তাঁদের পাশেই দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন রাজ্য প্রশাসনের এই যুক্তি কতটা মান্যতা দেয় সেদিকেই আপাতত তাকিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনে আধিকারিক থেকে রাজ্য প্রশাসনের পদাধিকারীরাও।
