নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফের রেজিস্টার্ড অথচ অশিক্ষিত রাজনৈতিক দলগুলিকে তলব করছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দপ্তর। আগামী ২৯ আগস্ট এর ১২ টি এ ধরনের রাজনৈতিক দলকে ডাকা হয়েছে হিয়ারিং এর জন্য। মূলত নির্বাচন কমিশনের খাতায় রেজিস্টার্ড অথচ দীর্ঘদিন ধরে অস্তিত্ব নিয়ে সংবিধান এই রাজনৈতিক দলগুলোর রেজিস্ট্রেশনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই দেশের ৩৪৫টি এ ধরনের রাজনৈতিক দলকে চিহ্নিত করা হয়েছে যাদের মধ্যে ৩৩৪ টি রাজনৈতিক দলের নাম নির্বাচন কমিশনের খাতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ এ ধরনের ৭২ টি রাজনৈতিক দল রয়েছে যারা নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতিহীন হলেও রেজিস্টার্ড রাজনৈতিক দল। এর আগে এ ধরনের আটটি রাজনৈতিক দলকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। যাদের মধ্যে মাত্র একটি রাজনৈতিক দল উপস্থিত হয় এবং তাদের নথিপত্র নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলে দেয়। বাকি সাতটি রাজনৈতিক দলের নাম নির্বাচন কমিশনের নথি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এবার দ্বিতীয় দফায় আরো ১২ টি রাজনৈতিক দলকে ডাকা হয়েছে আগামী ২৯ আগস্ট।
মূলত, এই রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচন কমিশনের রেজিস্টার্ড হওয়ায় কর ছাড় থেকে নানা রকম সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে। অথচ কমিশনের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ‘নো রিপ্লাই’ বলে ডাকবিভাগ থেকে যেমন তাদের চিঠি ফেরত আসে তেমনি বিভিন্ন মেসেঞ্জারের মাধ্যমেও এদের হদিস মেলে না। স্বাভাবিকভাবেই এই রাজনৈতিক দলগুলির আদৌ কোন অস্তিত্ব আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে চায় নির্বাচন কমিশন। সে কারণেই রাজ্যের সংশ্লিষ্ট মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দপ্তরের মাধ্যমে এই ধরনের রাজনৈতিক দলগুলিকে শোকজ করে তাদের প্রামাণ্য নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ পাঠানো হয়। এই রাজ্য আগামী ২৯ আগস্ট এ ধরনের বারোটি রাজনৈতিক দলকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই হিয়ারিংয়ে যারা ঘর হাজির থাকবেন তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট পাঠাবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।
