পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান অসিম মুনিরের পথ ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২ বার নোবেল মনোনয়ন দিলে নরেন্দ্র মোদি সরকার শুল্কে ছাড় পেতে পারেন বলে ব্যঙ্গ করলেন প্রাক্তন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন। তাঁর অভিযোগ, বিপুল শুল্ক চাপিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প অকারণে বন্ধু দেশ ভারতকে বিরক্ত করে তুলেছেন। পাশাপাশি নয়াদিল্লির ওপর কঠোর শুল্ক আরোপকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ‘একটি ভুল’ বলে অভিহিত করেছেন প্রাক্তন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
আসলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নির্দিষ্ট কোনও বিদেশ নীতি নয়, নিজের মর্জি মতই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কের গতিপথ ঠিক করেন তিনি। যেমন চিন ও ভারত একইভাবে রাশিয়ার তেল কিনলেও ভারতের উপর বিপুল শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। আগেই ট্রাম্পের এই নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন। তাঁর দাবি, ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি আনার ট্রাম্পের চেষ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হল ভারত।
একসময় ভারতকে বন্ধু বললেও দিল্লি তাঁর কথা না শোনায় রেগে গিয়েছেন ট্রাম্প। ভারত-পাকিস্তান সংঘাত তাঁর হস্তক্ষেপে থেমে গেছে, ট্রাম্প এমন দাবি করলেও তা মানেনি দিল্লি। পাশাপাশি রাশিয়া থেকে তেল কিনতে নিষেধ করলেও জাতীয় স্বার্থের কথা ভেবে তা শোনেনি ভারত। এতেই রেগে গেছেন ট্রাম্প, আর দাদাগিরি করে দিল্লির উপর চাপিয়ে দিয়েছেন একগাদা শুল্কের বোঝা।
এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে সামলানোর জন্য ভালো উপায় খুঁজে বের করছেন জন বল্টন। তিনি বলেছেন, “মোদিজির জন্য আমার একমাত্র পরামর্শ, তিনি চাইলে ট্রাম্পকে দু’বার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করতে পারেন।” অর্থাৎ এক্ষেত্রে পাকিস্তানের মত ট্রাম্প তোষণ করে সুবিধে পাওয়ার পথ ভেবে দেখতে পারে দিল্লি।
