এক লজ্জাজনক অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকল বঙ্গ ক্রিকেট। আর্থিক কারচুপির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল সিএবি’র যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসকে। বাংলার ক্রিকেট ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবার দায়িত্বে থাকাকালীন কোনও সচিবকে সাসপেন্ড করা হল। বৃহস্পতিবার অ্যাপেক্স কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।
দেবব্রতকে আর্থিক লেনদেনে কারচুপির অভিযোগে শোকজ করা হয়েছিল আগেই। গত ৬ অগাস্ট অ্যাপেক্স কমিটির বৈঠকে টিকিটের বকেয়া টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। এ সময় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চাইলেও তা দেওয়া হয়নি সিএবি’র যুগ্ম সচিবকে। অবশেষে এ দিন আপাতত ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হল দেবব্রতকে।
সেই সঙ্গে বাংলার ক্রিকেট সংস্থার তরফে এও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই সংক্রান্ত তদন্ত শেষ করতে হবে। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে না পারায় এই সময়ের মধ্যে সিএবিতে কোনও পদে থাকতে পারবেন না দেবব্রত। যোগ দিতে পারবেন না সিএবি’র কোনও কাজেও।
দেবব্রতর পাশাপাশি সিএবি’র কোষাধ্যক্ষ অম্বরীশ মিত্র এবং প্রবীর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেও আর্থিক কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বাকি দুজন শেষ পর্যন্ত ছাড় পেলেও শাস্তি এড়াতে পারলেন না দেবব্রত দাস। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য কিছু দিনের সময় চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অ্যাপেক্স কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই যে কোনও সময় দেওয়া যাবে না সিএবি’র যুগ্ম সচিবকে।
বৃহস্পতিবারও সিএবিতে গিয়েছিলেন দেবব্রত। জানা যাচ্ছে, সেখান থেকে বেরোনোর সময় তাঁর ঘরে থাকা ঠাকুরের ছবি এবং নিজের অন্যান্য জিনিসপত্র তিনি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন। আগামী ২৩ অগাস্ট ফের বৈঠকে বসছে অ্যাপেক্স কমিটি। সেখানেই এই ঘটনা নিয়ে পরবর্তী আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।
