মানসিক স্বাস্থ্য সমীক্ষার নাম করে বাড়ি বাড়ি এনআরসির তথ্য সংগ্রহ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর তোলা অভিযোগ নস্যাৎ করল কল্যাণী এইমস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, বেঙ্গালুরুর নিমহ্যানস অনুমোদিত প্রশ্নাবলির ভিত্তিতে গোটা দেশজুড়ে দেশবাসীর মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত গবেষণামূলক স্বাস্থ্য সমীক্ষার কাজেই এই তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া চলছে। পশ্চিমবঙ্গের সাতটি জেলায় এই তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে এইমস কল্যাণী কর্তৃপক্ষ। এরাজ্যে যে সমীক্ষার তত্ত্বাবধানে রয়েছেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা (মানসিক স্বাস্থ্য) পদমর্যাদার আধিকারিক বলে বিশেষ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে কল্যাণী এইমস কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ এন্ড নিউরো সাইন্সেস-এর সহযোগী হিসেবে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য সমীক্ষার দ্বিতীয় পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের কাজে যুক্ত রয়েছে কল্যাণী এইমস। ফলে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে এই সমীক্ষার তথ্য সংগ্রহ নিয়ে সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি করেছেন তা যে অমূলক এবং ভিত্তিহীন, বিবৃতির মাধ্যমে তা বোঝাতে চেয়েছে কল্যাণী এইমএস কর্তৃপক্ষ। ২০১১ সালের পর ফের ২০২৬ সালে দেশজুড়ে জনগণনার কাজ শুরু হতে চলেছে। জনগণনার প্রাথমিক পর্যায়ের প্রস্তুতি হিসেবে আর্থ-সামাজিক ভিত্তির পাশাপাশি দেশবাসীর শারীরিক ও মানসিক গঠন এবং পারিবারিক সচ্ছলতার বিষয়টিও সমীক্ষা বা তথ্যের মাধ্যমে আলোকপাত করা হয়। দেশের মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সরকারি সংস্থা হিসেবে অগ্রগণ্য বেঙ্গালুরুর নিমহ্যানস-এর সহযোগী হিসেবে কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান কল্যাণী এইমস এই সমীক্ষার কাজ শুরু করেছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। যথাযথ তথ্য সংগ্রহ না করে কেন্দ্রের বিরোধিতা করার জন্যই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এ ধরনের অভিযোগ করেন করছেন বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের একাংশের।
