ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন হওয়ার কথা আসন্ন সেপ্টেম্বরে। তবে সদ্য পাশ হওয়া ক্রীড়া আইনের কারণে নির্বাচনটি পিছিয়ে যেতে পারে, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, বিসিসিআইয়ের নির্বাচন নতুন ক্রীড়া আইন অনুসারে হবে নাকি পুরনো লোধা আইন মেনে হবে তা এখনও চূড়ান্ত নয়। এই পরিস্থিতিতে সরকার চাইছে নতুন আইন অনুযায়ীই নির্বাচন হোক। আবার সভাপতি রজার বিনির কথা ভেবে বোর্ডও সে দাবি অগ্রাহ্য করতে পারছে না পুরোপুরি।
রাষ্ট্রপতির সইয়ের পর সদ্যই আইনে পরিণত হয়েছে ক্রীড়া বিল। তবে এর নিয়মকানুন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ দিকে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক চায় সেপ্টেম্বরেই বিসিসিআইয়ের নির্বাচন সম্পন্ন হোক। এর মধ্যে ক্রীড়া আইনের নিয়ম নির্দিষ্ট হয়ে গেলে কোনও সমস্যাই নেই। তা না হলে আপাতত লোধা আইনেই নির্বাচন হতে পারে।
এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, কেন্দ্র চায় নতুন ক্রীড়া আইন মেনেই নির্বাচন করতে। কারণ, আপাতত লোধা আইনে নির্বাচন করা হলেও ক্রীড়া আইনের নিয়ম চালু হয়ে গেলে সেই নতুন নিয়ম মেনে আবার নতুন করে নির্বাচন করতে হবে। যেটা চাইছে না বোর্ডও। তা ছাড়া বোর্ড সভাপতি রজার বিনির বয়স এখন ৭০। ফলে লোধা আইন অনুসারে, আর তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
এ দিকে নতুন ক্রীড়া আইনে আবার বয়সের সর্বোচ্চ সীমা ৭৫। কাজেই, এই আইনে নির্বাচন হলে বিনির সামনে থাকবে আরও একবার দায়িত্বে আসার সুযোগ। মূলত এই কারণেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা নিয়ে কিছুটা হলেও দ্বিধায় পড়ে গিয়েছে বোর্ডের একাংশ। তাঁরা ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বিসিসিআই পরিচালিত হয় লোধা আইনে। ফলে বোর্ডের একটা বড় অংশ সেই নিয়মেই নির্বাচন করতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে। আবার সরকারের সঙ্গে সরাসরি বিরোধেও যেতে চাইছেন না তাঁরা। ফলে এক প্রকার ‘ধীরে চলো নীতি’ই নেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, নতুন আইনের অপেক্ষায় নির্বাচন ৩ মাস পিছিয়ে দিতে পারে বোর্ড। কারণ সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন বড়জোর ৩ মাসই পিছোতে পারে তারা।
