অস্থির বিশ্বে ক্রমেই বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতেই দেশের ভবিষ্যৎ যুদ্ধপ্রস্তুতি ও সামরিক শক্তি আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ১৫ বছরের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা প্রকাশ করছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, হাইপারসনিক প্রযুক্তি, সাইবার প্রতিরক্ষা, মহাকাশ যুদ্ধব্যবস্থা এবং নেক্সট-জেনারেশন যুদ্ধ কৌশল। এর মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনাকে আগামী কয়েক দশকের পরিবর্তিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হবে। এই রোডম্যাপে সাইবার প্রতিরক্ষা, স্যাটেলাইট-ভিত্তিক যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক ডিনায়েল জোন এবং অ্যান্টি-সোয়ার্ম ড্রোন সক্ষমতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনায় স্থলসেনার জন্য প্রস্তাবিত আধুনিক সরঞ্জামের মধ্যে আছে ১,৮০০-রও বেশি মেইন ব্যাটল ট্যাঙ্ক, ৪০০ হালকা ট্যাঙ্ক, ৬ লক্ষ আর্টিলারি শেল ও বিভিন্ন ধরনের মানববিহীন আকাশযান (UAS)। ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে ১টি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার, ১০টি পরবর্তী প্রজন্মের ডেস্ট্রয়ার, ১০টিরও বেশি ল্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম, উন্নত হেলিকপ্টার ও পারমাণবিক শক্তি চালিত জাহাজ। অন্যদিকে বায়ুসেনার ঝুলিতে আসতে পারে ২০টি স্ট্র্যাটোস্ফেরিক এয়ারশিপ, ৩৫০টি মাল্টি-মিশন ড্রোন, স্টেলথ ইউসিএভি, হাই-পাওয়ার লেজার সিস্টেম এবং প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ যুদ্ধ কৌশল।
প্রযুক্তির অভূতপূর্ব বিপ্লব, সাইবার অপারেশন, স্বয়ংক্রিয় মানববিহীন ব্যবস্থা, মহাকাশ যুদ্ধ, সব মিলিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে এখন হাইটেক অপারেশনের যুগ। বলা হয়েছে সরকারি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বে তৈরি হবে যুদ্ধাস্ত্র ও পরিকল্পনা।
