
দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলার দুর্যোগ কবলিত এলাকায় বিজেপি সাংসদ খগেন মূর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ-এর ওপর হামলার ঘটনায় রাজনীতির আঙিনায় নতুন করে তৈরি হয়েছে শোরগোল।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দুই বিজেপি নেতা উত্তরবঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। হঠাৎ সেখানে উপস্থিত কিছু বিক্ষোভকারী তাঁদের ওপর হামলা চালায়, গাড়ি ভাঙচুর করে এবং তাঁরা কোনওরকমে এলাকা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন।
ঘটনার পর সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার যদি লোকসভার স্পিকারের কাছে সময়মতো প্রতিবেদন জমা না দেয়, তবে সংসদে প্রিভিলেজ মোশন আনা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “এটি শুধুমাত্র সাংসদ বা বিধায়কের বিষয় নয়, প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।”
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে “অবহেলা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য দায়ী” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা মন্তব্য করে বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ ছাড়া রাজ্য ও শাসক দলকে দোষারোপ করছেন, যা সাংবিধানিক শপথের লঙ্ঘন।”
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলার দুর্যোগ কবলিত এলাকায় পরিদর্শনে যান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হামলার ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছে, যেখানে মানবিক সহায়তার থেকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দলাদলি যেন মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
