
গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে SIR প্রক্রিয়া, যার মূল উদ্দেশ্য ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম থাকা ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা। কিন্তু কাকদ্বীপের অক্ষয় নগর, স্টিমারঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশ থেকে আসা প্রায় তিন হাজার মতুয়া পরিবারের কাছে এই নিয়ম কিছুটা বিভ্রান্তিকর। বেশিরভাগের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, ফলে তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছিল।
তবে সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় ধীরে ধীরে কমছে। অল্প কিছু পরিবার ইতিমধ্যে আইডেন্টিটি কার্ড ও সার্টিফিকেট পেয়েছে, যা দিয়ে তারা CAA ফর্ম ফিলাপ শুরু করেছেন। অভ্যন্তরীণ উৎসাহ এবং ভরসার কারণ হিসেবে তারা ইষ্ট দেবতা হরিচাঁদ ঠাকুরের পাশাপাশি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। অমিত আনন্দে তারা SIR প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিজেদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অল ইন্ডিয়া মতুয়া মাহা সঙ্ঘের নেতৃত্বে শ্রী শান্তনু ঠাকুর কয়েকটি পরিবারকে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট প্রদান করেছেন। অনেকের আইডেন্টিটি কার্ড তৈরির প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। এসবের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা CCA ফর্ম ফিলাপ করতে পারছেন।
এখন প্রধান প্রশ্ন হলো, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকা পরিবারগুলো CAA ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করলে তারা স্থায়ীভাবে এখানে থাকতে পারবে কিনা। নাগরিকত্ব প্রাপ্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সময়ের ওপর নির্ভর করবে।
মোটের উপর, কাকদ্বীপের মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে এখন আনন্দ ও আশার বাতাবরণ। SIR এবং CAA প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা নাগরিকত্ব অর্জনের আশা নিয়ে ধীরে ধীরে ভয় ভুলে নতুনভাবে জীবন শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
