
আদিত্য ধরের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘ধুরন্ধর’ শুক্রবার মুক্তির পর থেকেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় ছেয়ে গিয়েছে সামাজিক মাধ্যম। দুই বছরের বিরতির পর এই ছবির মাধ্যমে রণবীর সিংহের প্রত্যাবর্তনকে দর্শকরা বলছেন “দাপুটে” এবং “প্রভাবশালী”। ছবির ট্রেলার থেকে শুরু করে মুক্তির আগে বিতর্ক, সবকিছুই ‘ধুরন্ধর’-কে আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছিল।
মুক্তির আগের দিন পরিচালক আদিত্য ধরের স্ত্রী, অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম সামাজিক মাধ্যমে দর্শকদের উদ্দেশে আবেদন করেন, কোনও নেতিবাচক প্রচার বা ‘ক্যানসেল কালচার’-এর প্রভাব নয়, বরং নিজের চোখে ছবিটি দেখে মতামত জানাতে। তাঁর সেই বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা গেল ছবির প্রথম প্রতিক্রিয়াতেই। একাংশ দর্শক লিখেছেন, “নেতিবাচক সমালোচনায় কান দেবেন না, নিজে দেখে বিচার করুন।”
প্রথম দিনের প্রতিক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়োচ্ছেন রণবীর সিংহ। অনেকেই তাঁর অভিনয়কে “ফেনোমেনাল” বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি প্রশংসা পেয়েছেন অক্ষয় খান্না। ট্রেলারের সময়ই তাঁর চরিত্রের ঝলক দর্শকদের আগ্রহ বাড়িয়েছিল, আর ছবিতে তাঁর উপস্থিতি সেই প্রত্যাশাকেই আরও উঁচুতে তুলেছে বলে জানিয়েছে দর্শকমহল।
ছবিতে অ্যাকশন পরিচালনা, ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর এবং সামগ্রিক টেকনিক্যাল পরিকাঠামোও প্রশংসা কুড়োচ্ছে। বহু দর্শক জানিয়েছেন, তিন ঘণ্টার বেশি দীর্ঘ হলেও গল্পের টান ও নির্মাণের শক্তিতে ছবিটি মনোযোগ ধরে রাখতে সক্ষম।
রণবীর সিংহকে কেন্দ্র করে তৈরি এই অ্যাকশন-ড্রামায় রয়েছেন অক্ষয় খান্না, অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত ও আর. মাধবন। মোট ৩ ঘণ্টা ৩৪ মিনিটের এই বিশাল মাপের ছবিকে অনেকেই বলছেন “পয়সা উসুল” অভিজ্ঞতা।
প্রথম প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, বহুল বিতর্কের পরও ‘ধুরন্ধর’ দর্শকদের মন ছুঁতে পেরেছে। বলিউডের বড় মাপের বাণিজ্যিক ছবির বাজারে এটি রণবীর সিংহের জন্য শক্তিশালী কামব্যাক বলেই মনে করছেন শিল্পমহল।
