
দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে ভারত–পাকিস্তান মানেই শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং স্নায়ুর পরীক্ষা। রবিবার সেই চাপের লড়াইয়েই মাঝারি জায়গায় আটকে গেল ভারতীয় দল। শুরুতে আশার আলো দেখালেও ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতার অভাবে প্রশ্নের মুখে টিম ইন্ডিয়া এই রান কি আদৌ চ্যালেঞ্জিং?
টস জিতে পাকিস্তান ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন বলে ভারতের শুরুটা ছিল আক্রমণাত্মক। অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে প্রথম থেকেই রানের গতি বাড়ান। তবে বৈভব সূর্যবংশী দ্রুত ফিরে যাওয়ায় খানিকটা থমকে যায় ইনিংস। আগের ওভারে জীবন পেলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি বৈভব।
এরপর আয়ুষ ও অ্যারন জর্জের জুটিতে ইনিংস স্থিতিশীল হয়। ১৫ ওভারের মধ্যেই ১০০ পেরোয় ভারত। কিন্তু শর্ট বলে ক্যাচ দিয়ে ৩৮ রানে আউট হন আয়ুষ। অধিনায়কের উইকেট পড়তেই ফের চাপ বাড়ে। এক প্রান্তে অ্যারন জর্জ দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট চালান। ধীরে শুরু করে গিয়ার বদলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি।
মাঝের ওভারগুলোয় পাকিস্তানের স্পিন ও পেস আক্রমণ বেশ কার্যকর হয়। বিহান মালহোত্রা ও বেদান্ত ত্রিবেদী বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। ১৯.৫ ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ১১৩/৪ এই সময় ম্যাচ অনেকটাই পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে যায়। সেখান থেকে অ্যারন ও অভিজ্ঞান কুণ্ডুর জুটিতে আবার লড়াইয়ে ফেরে ভারত।
৮০ পেরিয়ে সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন অ্যারন। কিন্তু ক্রিকেটের নিষ্ঠুর বাস্তবতায় ৮৫ রানে মিড-অফে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। শতরান ছোঁয়া হল না। এরপর দ্রুত উইকেট পড়ায় গতি হারায় ইনিংস। ৩২ ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ১৭৬/৬।
পিচ বোলারদের সহায়ক নতুন বলে সামান্য মুভমেন্ট, মাঝের ওভারে স্পিনে সাহায্য। সেই পরিস্থিতি ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছে পাকিস্তান। এখন প্রশ্ন একটাই এই রান থেকে ভারত কি লড়াইয়ে থাকতে পারবে? শেষ ওভারগুলিই দেবে তার উত্তর।
