
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সাম্প্রতিক কাণ্ডের জেরেই ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অরূপ বিশ্বাস এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা চিঠিতে তিনি নিজেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। সূত্রের খবর, সেই ইস্তফায় সম্মতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সম্প্রতি যুবভারতী স্টেডিয়ামে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ঘিরে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। দর্শক নিয়ন্ত্রণ, মাঠে নিষিদ্ধ সামগ্রী প্রবেশ এবং প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। সেই ঘটনার পর থেকেই ক্রীড়া দফতরের ভূমিকা নিয়ে চাপ বাড়ছিল বলে সূত্রের দাবি। শেষ পর্যন্ত তারই দায় স্বীকার করে নৈতিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন অরূপ বিশ্বাস, এমন ব্যাখ্যাও উঠে আসছে।

অরূপ বিশ্বাসের আমলে রাজ্যে একাধিক ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ হয়। জেলা ও মহকুমা স্তরে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, প্রতিভা অন্বেষণ এবং স্টেডিয়াম সংস্কারের মতো প্রকল্প চালু হয়েছিল। তা সত্ত্বেও যুবভারতী কাণ্ড রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তিতে আঘাত করেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
এই ইস্তফার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ক্রীড়ামন্ত্রকের নতুন দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে। যুবভারতী কাণ্ডের পর রাজ্যের ক্রীড়া প্রশাসনে আরও কড়া নজরদারি ও জবাবদিহি বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহল।
