
মদ্যপ অবস্থায় হুজ্জুতি ও প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়িতে ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হলেন তিনজন যুবক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ফুলবাড়ি এলাকায়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, আহত তিনজনের মধ্যে একজন বর্তমানে ফুলবাড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি দুইজনকে ভর্তি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং একটি নার্সিংহোমে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযোগকারি অভিজিৎ সিংহ জানান, মূল অভিযুক্ত ধীরাজ কুমার চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরেই রাতে মদ্যপ অবস্থায় এলাকায় হুজ্জুতি চালাত। বিভিন্ন বাড়ির সামনে গিয়ে গালিগালাজ করাই ছিল তাঁর অভ্যাস। রবিবার রাতেও ধীরাজ তাঁদের বাড়ির সামনে গালিগালাজ করছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় অভিজিতের ভাই সুভোজিৎ সিংহ ও তাঁর দুই বন্ধু স্কুটারে করে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন।
অভিযোগ, ধীরাজের এই আচরণের প্রতিবাদ করলে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ধীরাজের আত্মীয় আশিস ঠাকুর বাড়ি থেকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আসে। এরপরই ধীরাজ সুভোজিতের বুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে সুভোজিতের দুই বন্ধুকেও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপ মারা হয়।
রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্ত ধীরাজ ও আশিস ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পুলিশে খবর দেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে পুলিশ অভিযুক্ত ধীরাজ কুমার চৌধুরী ও আশিস ঠাকুরকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ধৃত দু’জনকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
