
বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ফের বাংলায় সিবিআই তৎপরতা। ট্যাংরা শিল্পতালুক ও তপসিয়ায় একাধিক জায়গায় সিবিআই অভিযান চালিয়েছে। ১ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তল্লাশি শুরু হয়। সূত্রের খবর, ভারা টেকনোলজি নামে একটি সংস্থার অফিসে সিবিআইয়ের দল পৌঁছয়। ওই সংস্থার সঙ্গে কানোরিয়া ফাউন্ডেশনের যোগ রয়েছে বলে তদন্তকারীদের দাবি।
যে বহুতলে ভারা টেকনোলজির অফিস, সেটি কানোরিয়া গোষ্ঠীর সংস্থা শ্রেই ফাউন্ডেশনের নামে বলে জানা যাচ্ছে। একই সঙ্গে তপসিয়ায় সংস্থার আরও একটি অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। সিবিআই সূত্রে দাবি, একটি উচ্চ রিটার্ন স্কিম দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসছে শ্রেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেডের কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া ও হেমন্ত কানোরিয়ার নাম।
এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সিবিআইয়ের একটি দল যায় ৩২Q, নিউ রোডে সুনীল কানোরিয়ার অফিসে। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, সুনীল কানোরিয়া বর্তমানে সেখানে থাকেন না। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়। কিছু সময় পর আলিপুরের ৭ নম্বর অ্যাভিনিউতেও কানোরিয়া গোষ্ঠীর আরও একটি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি মাসেই কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি রাজ্যের একাধিক জায়গায় অভিযান চালায়। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, ভোটের মুখে পুরনো মামলাগুলিকে সামনে এনে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির তৎপরতা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে সিবিআইয়ের দাবি, তদন্তের স্বার্থেই এই তল্লাশি এবং আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত সব নথি ও প্রমাণ সংগ্রহ করাই তাদের লক্ষ্য।
