
ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার। বৃহস্পতিবার বারামতিতে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয় । সকাল ৯ টা পর্যন্ত বারামতের কাটেওয়াড়িতে তার বাসভবনে রাখা ছিল দেহ। তারপর শুরু হয় শেষ যাত্রা। কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার, শোকস্তব্ধ এলাকা। সকাল ১১ টায় শেষকৃত্য অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, নীতিন গড়কড়ি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে ও একাধিক রাজনীতিবিদরা । এদিকে উপমুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুতে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে তিন দিনের সব ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল মহারাষ্ট্রের বারামতিতে চাটার্ড ফ্লাইড ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী সহ ৫ জনের। অবতরণের সময় আচমকাই ঘটে দুর্ঘটনা। প্রথমবার টেবিল টপ রানওয়েতে বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করে পাইলট, অবতরণ না হওয়ায় আকাশে চক্কর কাটতে থাকে বিমানটি, পাইলট মে ডে বার্তাও পাঠান এবং দ্বিতীয়বার অবতরণের আগেই মাটিতে আছড়ে পড়ে VT- SSK চার্টার্ড বিমান। প্লেনটি ১০০ ফুট উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছড়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই বিমানে আগুন ধরে যায় এবং একের পর এক বিস্ফোরণ হয়। নিমেষেই সবকিছু শেষ হয়ে যায়। বিমানে ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার, পিএসও বিদিপ যাদব, পাইলট সুমিত কাপুর, কো পাইলট শাম্ভবী পাঠক, বিমান কর্মী পিংকি মালি। দুর্ঘটনায় সকলেরই মৃত্যু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ৮:১০ নাগাদ মুম্বই থেকে রওনা দেন এন সি পি নেতা অজিত পওয়ার । বারামতিতে ভোট প্রচার ও সভা করার কথা ছিল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। কিন্তু সকাল ৮:৪৫ টা নাগাদ ঘটে দুর্ঘটনা। প্রাথমিক তদন্তে ডিজিসিএর তথ্য অনুযায়ী, চার্টার্ড বিমানটিতে ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম ছিল না অর্থাৎ বিমানটি ঠিকমত অবতরণ করছে কিনা তা দেখার ভরসা একমাত্রই পাইলটের নজর। তবে অনুমান করা হচ্ছে কুয়াশা বেশি থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তবে প্রশ্ন উঠছে কিভাবে ভেঙে পড়লো বিমান? কোন যান্ত্রিক ত্রুটি? নাশকতা? নাকি পাইলটদের কোন সমস্যা ছিল? পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে DGCA।
