
যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টিন সংক্রান্ত নথি প্রকাশ ঘিরে ফের তোলপাড় আন্তর্জাতিক মহলে। সদ্য প্রকাশিত ‘এপস্টিন ফাইল’-এ মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে নিয়ে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে এসেছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে বিল গেটসের শিবির।
মার্কিন বিচার বিভাগের তরফে প্রকাশিত লক্ষ লক্ষ পাতার নথিতে দাবি করা হয়েছে, রুশ মহিলাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর পর বিল গেটস নাকি ‘সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ’-এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। এপস্টিনের লেখা একটি পুরনো ইমেইলের উল্লেখ করে এই দাবি সামনে এসেছে। তবে এই তথ্যের সত্যতা সরকারি ভাবে যাচাই করা হয়নি বলেই জানানো হয়েছে।
নথি অনুযায়ী, এপস্টিন দাবি করেছিলেন যে, ওই সময় বিষয়টি গোপন রাখতে বিল গেটস নাকি তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট ইমেইল মুছে ফেলার অনুরোধও জানান। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেয় গেটসের টিম।
বিল গেটসের মুখপাত্র স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য এবং ভিত্তিহীন। এটি এপস্টিনের কল্পনা বা হতাশার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া কিছুই নয়।” তিনি আরও জানান, গেটসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনও প্রমাণ নেই।
উল্লেখযোগ্যভাবে, একসময় এপস্টিন ও বিল গেটসের মধ্যে পরিচয় ও যোগাযোগ ছিল, সেই সময়কার কিছু ছবিও নথিতে রয়েছে। যদিও পরে এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার জন্য প্রকাশ্যে আফশোস করেছিলেন বিল গেটস। ২০১৯ সালে নিউ ইয়র্কের জেলে আত্মঘাতী হন এপস্টিন।
এর আগেও প্রাক্তন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কই তাঁদের বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ। নতুন করে নথি প্রকাশের পর সেই বিতর্কই ফের নতুন করে সামনে এল, যদিও অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রশ্নের মুখে।
