
বর্তমান সময়ে ভাতের বিকল্প হিসেবে ওট্সের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা ওজন কমানো, হার্ট, ডায়াবেটিস বা লিভারের যত্নের জন্য প্রাতরাশে দই বা দুধে ভিজিয়ে ওট্স খাচ্ছেন। তবে শুধু খিচুড়ি বা চিলা নয়, ওট্স দিয়ে স্বাস্থ্যকর ও একই সঙ্গে রাজকীয় স্বাদের পাঁচটি রান্না করা সম্ভব।
প্রথম, জাফরানি ওট্স পায়েস। এটি চালের পায়েসের মতোই মিষ্টি এবং ক্রিমযুক্ত, তবে ঘন দুধ, জাফরান, এলাচ ও বাদাম দিয়ে তৈরি। স্বাদ, রং ও গন্ধে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
দ্বিতীয়, ওট্স-চিকেন কবসা। আরব দেশের জনপ্রিয় এই মশলাদার রান্নাটি টম্যাটো পিউরি, দারচিনি, লবঙ্গ ও পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি করা হয়। উপরে ছড়ানো বেরেস্তা ও কালো কিশমিশ পরিবেশনকে আরও আকর্ষণীয় করে।
তৃতীয়, ওট্স-মাশরুম রিসোতো। ইটালীয় রেসিপি, মাখন, রসুন, চিজ ও মাশরুম দিয়ে তৈরি, গোলমরিচ ও ধনেপাতা ছিটিয়ে স্বাদ বহুগুণ বৃদ্ধি করা যায়।
চতুর্থ, ওট্স পোলাও। চালের পোলাওয়ের মতো, এতে ঘি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা এবং রঙিন সব্জি ব্যবহার করা হয়। ২-৩ মিনিট ভেজানো ওট্স রান্নার পর আঠালো হবে না, সামান্য কেওড়া জল ও শাহী গরমমশলা ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।
পঞ্চম, ওট্স তেহরি। একপাত্রে রান্না করা হয়, সব্জি বা মাংস ও মশলার সংমিশ্রণে। সর্ষের তেল, হলুদ, আদা, রসুন, জিরে ও গরম মশলা স্বাদ বাড়ায়।
এই পাঁচটি রান্নাই প্রমাণ করে, স্বাস্থ্যকর উপকরণ দিয়েও রাজকীয় স্বাদের খাবার তৈরি সম্ভব। আর অতিথি আপ্যায়নে এটি এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। ওট্সকে শুধু স্বাস্থ্যকর উপকরণ হিসেবে ভাববেন না, বরং তা তৈরি করে পরিবেশন করুন মুখরোচক, বৈচিত্র্যময় ও রঙিন রান্না।
