
বিধানসভা ভোটের আবহে শনিবার সকালে টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। এই সাক্ষাতের খবর ছড়াতেই টলিপাড়ায় জল্পনা শুরু হয়, ভোটের আগে কি তবে প্রসেনজিৎকে ঘিরে কোনও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত মিলল? যদিও সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, এই সাক্ষাৎ পুরোপুরি সৌজন্যমূলক।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হওয়ায় প্রসেনজিৎকে শুভেচ্ছা জানাতেই তাঁর বাড়িতে যান সুকান্ত ও রুদ্রনীল। এদিন প্রসেনজিতের হাতে রামলালার একটি মূর্তি উপহার দেন সুকান্ত মজুমদার। বেশ কিছুক্ষণ অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন তাঁরা। আলোচনায় উঠে আসে মূলত সিনেমা জগত, অভিনয় ও ইন্ডাস্ট্রির নানা প্রসঙ্গ। পাশাপাশি রাজ্য ও দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও হালকা কথাবার্তা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
টলিউড ও রাজনীতির মেলবন্ধন নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে প্রবীণ অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে গিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেই ঘটনার পর এবার প্রসেনজিতের বাড়িতে সুকান্তের উপস্থিতি নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
তবে জল্পনায় জল ঢেলে প্রসেনজিতের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট করেন, “এই সাক্ষাৎ একেবারেই রাজনৈতিক নয়। সব কিছুর পিছনে রাজনীতি খোঁজা ঠিক নয়। শিক্ষা ও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে রাজনীতি না করাই ভালো। পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য প্রসেনজিৎকে শুভেচ্ছা জানাতেই এসেছিলাম। তাঁর নতুন ছবি ভালো ব্যবসা করছে, উত্তরোত্তর তাঁর শ্রীবৃদ্ধি হোক।”
ভোটের মুখে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক রঙ পাবে কি না, তা সময়ই বলবে। আপাতত টলিপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রে বুম্বাদার বাড়ির এই হাই-প্রোফাইল ভিজিট।
