
এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছতেই নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধল রাজ্যে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ–বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করার চেষ্টা চলছে, এমনই গুরুতর অভিযোগ তুলল নবান্ন। মঙ্গলবার এই নিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
রাজ্য সরকারের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত কাজের জন্য ৮৫০৫ জন গ্রুপ–বি আধিকারিকের নাম নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সেই তালিকাই ‘বিকৃতভাবে উপস্থাপন’ করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে কারা এই স্বার্থান্বেষী মহল, সে বিষয়ে সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।
নবান্ন জানিয়েছে, অর্থ দফতরের জারি করা নির্দিষ্ট পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই গ্রুপ–বি কর্মচারীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা কমিশনে জমা দেওয়া হয় বলেও দাবি রাজ্যের। সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ এই চার ভাগে শ্রেণিবিভাগ স্পষ্টভাবে নির্ধারিত এবং সেই নিয়ম মেনেই তালিকা তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অনিয়ম বা কারচুপির যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার সঙ্গে বাস্তবের কোনও সম্পর্ক নেই। গোটা প্রক্রিয়াই স্বচ্ছতা ও সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি নবান্নের।
এসআইআর-এর শেষ ধাপেও রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে চাপানউতোর যে অব্যাহত রয়েছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই বিতর্কের শেষ কোথায়? রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
