
কলকাতা: রবিবার থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে ‘যুবসাথী প্রকল্প’-এর আবেদনপত্র গ্রহণ। এই প্রকল্প অনুযায়ী, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা ১৫০০ টাকার ভাতা পাবেন। আবেদন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা ও অন্যান্য জেলায় দেখা গেছে দীর্ঘ লাইনে যুবক-যুবতীরা ভাতার জন্য অপেক্ষা করছেন।
প্রকল্পটি ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এবং আবেদন চলবে ধারাবাহিকভাবে এগারো দিন। লাইনে দাঁড়ানো যুবকদের বক্তব্যে শোনা যাচ্ছে, “এই ভাতা সাময়িক। আসল দরকার চাকরি। ১৫০০ টাকায় কিছুই হয় না।” এমএ থেকে বিএসসি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা একই উদ্দীপনা নিয়ে আবেদন করছেন।
মালদহে বারোটি বিধানসভা এলাকায় ব্লক ভিত্তিক ক্যাম্প বসানো হয়েছে। সকাল থেকেই দেখা গেছে লম্বা লাইন। এক যুবক বললেন, “আমি স্নাতক স্তরে পড়ছি। ভাতা সহায়তা হলেও চাকরি দরকার।” শিলিগুড়িতে এক যুবতী জানান, “চাকরি নেই, তাই ভাতা গ্রহণ করছি।”
এই প্রকল্পে ভাতার পাশাপাশি যুবকদের জীবিকাভিত্তিক সহায়তার উদ্দেশ্য রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের বড় অংশই বলছে, সাময়িক ভাতার থেকে স্থায়ী চাকরি বেশি জরুরি।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়মমাফিক সম্পন্ন করার জন্য যথাযথ ক্যাম্প ও দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীরা সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পে হাজির হচ্ছেন।
বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য এই উদ্যোগ আশা ও সহায়তার সঞ্চার করছে। তবে যুবকদের মনোভাব দেখাচ্ছে, অর্থিক ভাতা যতটা সাহায্য করবে, স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তার চেয়ে অনেক বেশি প্রয়োজন।
এইভাবে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ‘যুবসাথী প্রকল্প’-এর মাধ্যমে যুবকদের অর্থিক ও সামাজিক সহায়তা প্রদানের কাজ শুরু হয়েছে, আর আবেদনকারীদের অংশগ্রহণও যথেষ্ট উৎসাহব্যঞ্জক।
