
ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ভিবিইউ) বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও এখনও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি, তবুও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ ইতিমধ্যেই নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে খসড়া কর্মসূচি তুলে দিয়েছেন।
বিশ্বভারতীর আচার্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এবং কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর তথা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির দপ্তরেও খসড়া কর্মসূচি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ। অনুমোদন মিললেই পূর্ণোদ্যমে প্রস্তুতি শুরু হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৫ মে শেষবার শান্তিনিকেতনে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সে সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সফরেই বাংলাদেশ সরকারের অর্থানুকূল্যে নির্মিত ‘বাংলাদেশ ভবন’-এর উদ্বোধন করেছিলেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
করোনা অতিমারির কারণে ২০২০ সালে সমাবর্তন অনুষ্ঠান স্থগিত রাখা হয়। ২০২১ সালে ভার্চুয়ালি অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তবে গত দু’বছর ধরে আর সমাবর্তন হয়নি।
এবারের সমাবর্তন ঘিরে বাড়তি গুরুত্ব রয়েছে আরও একটি কারণে। ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পর এটাই হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম শান্তিনিকেতন সফর। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে। ফলে জল্পনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, ফেব্রুয়ারির শেষেই কি আবার ঐতিহ্যের আঙিনায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী?
