
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হলেও, প্রশ্ন উঠেছে—এবার তাঁর ভূমিকা কী হতে চলেছে? সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না হলেও রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, প্রশাসনিক দায়িত্বে সরাসরি না থাকলেও অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা হিসেবে তাঁকে দেখা যেতে পারে। ইউনূসের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতা দেশের জন্য বড় সম্পদ বলে মনে করছেন একাংশ। বিশেষ করে বৈদেশিক বিনিয়োগ, উন্নয়ন প্রকল্প ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা কার্যকর হতে পারে।
অন্যদিকে রাজনৈতিক সমীকরণ সবসময় সরল নয়। নতুন সরকার তাঁকে কতটা গুরুত্ব দেবে, তা নির্ভর করছে অভ্যন্তরীণ কৌশলের উপর। বিরোধী শিবিরও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। কারণ ইউনূসের উপস্থিতি রাজনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনূস সরাসরি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকলেও তাঁর মতামত ও প্রভাব অস্বীকার করা কঠিন। আন্তর্জাতিক মহলেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে, যা বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে তাঁর ভবিষ্যৎ ভূমিকা। তবে আপাতত একটি বিষয় পরিষ্কার মেয়াদ শেষ হলেও মুহাম্মদ ইউনূস এখনও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে রয়েছেন।
