
রাজ্যে বেকার যুবকদের জন্য ঘোষিত ‘যুবসাথী’ প্রকল্প ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল উৎসাহ। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতেই বিভিন্ন ব্লক অফিস, পৌরসভা ও অনলাইন পোর্টালে চোখে পড়ছে ভিড়। সকাল থেকে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে তরুণ-তরুণীরা ফর্ম জমা দিচ্ছেন। অনেকের হাতেই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি, কেউ আবার টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, কিন্তু স্থায়ী চাকরি না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে হতাশায় ভুগছিলেন।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২২ থেকে ৩০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিতদের মাসে ১৫০০ টাকা করে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির কথাও জানানো হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, প্রকল্পটি স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হবে এবং সমস্ত আবেদন ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে।
প্রথম দিনেই বহু আবেদন জমা পড়েছে বলে সূত্রের খবর।
আবেদনকারীদের বক্তব্য, টাকার অঙ্ক বড় না হলেও মানসিকভাবে এটি বড় ভরসা। তবে বিরোধী রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলেছে ভাতা দিয়ে কি কর্মসংস্থানের মূল সমস্যা মিটবে? সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এটি অন্তর্বর্তী সহায়তা, যাতে যুবকরা নিজের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পান।
রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝেও যুবসমাজ এখন আশাবাদী। এই প্রকল্প বাস্তবে কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা সময় বলবে। কিন্তু আপাতত রাজ্যের হাজার হাজার তরুণের চোখে নতুন স্বপ্নের আলো জ্বলতে শুরু করেছে।
