
‘সরকার প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং তাদের শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেবে।’ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও বলেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতকে আধুনিকীকরণ করা সরকারের কর্তব্য। সেই কারণেই ২০২৬ সালের বাজেটে প্রতিরক্ষা বাজেট ৬.৮১ লক্ষ কোটি থেকে ৭.৮৫ লক্ষ কোটি করা হয়েছে, যা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা মূলধন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে ২.৩১ লক্ষ কোটি করা হয়েছে, যা গত বছরের ১.৮০ লক্ষ কোটি থেকে ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে সরকারের লক্ষ্য দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সব দিক থেকে শক্তিশালী করা এবং যে কোনও পরিস্থিতিতে প্রস্তুত রাখা।
অপারেশন সিঁদুরের সাহসিকতা উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা বাজেট, আধুনিকীকরণ এবং অন্যান্য উদ্যোগ সবই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ, যা কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়।
অর্থনৈতিক নীতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ভারতের উৎপাদন, পরিষেবা এবং এমএসএমই খাতগুলি ৩৮টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছে। এফটিএগুলো বিশেষ করে টেক্সটাইল, চামড়া, রাসায়নিক, হস্তশিল্প, রত্ন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে এমএসএমই-কে নতুন বাজারে প্রবেশাধিকার দেবে।
মহিলাদের কল্যাণকেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত ভারত গঠনে মহিলাদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা দেশের অগ্রগতিতে নেতৃত্ব দেবে।
তিনি বেসরকারি খাতের গুরুত্বও উল্লেখ করেন। কোম্পানিগুলো শুধুমাত্র মুনাফার দিকে নয়, বরং গবেষণা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং মান উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে। ডেটা সেন্টার এবং প্রযুক্তি খাত তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং ভারতকে বিশ্বব্যাপী তথ্য কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করবে।
