
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কমিশন তিনজন মাইক্রো অবজারভারকে সাসপেন্ড করেছে। সিদ্ধান্তটি ডিস্ট্রিক্ট ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, দায়িত্বে গাফিলতি ও কাজের অনিয়মের অভিযোগের প্রমাণ মেলে।
সূত্রের খবর, অভিযুক্তরা দায়িত্বে থাকলেও নিয়মমাফিক কাজ করেননি। দায়িত্ব পালন না করে অন্যত্র চলে যাওয়ার ঘটনা রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করেছে, সাসপেনশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই সাসপেনশন প্রত্যাহারের জন্য কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।
নতুনভাবে সাসপেন্ড হওয়া তিনজনের মধ্যে রয়েছেন একটি ব্যাংকের ম্যানেজার, একটি ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজার এবং একটি সরকারি কর পরিদর্শক। এর আগে সাতজন এইআরওকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সেই তালিকায় ছিল বিভিন্ন বিধানসভার কর্মচারী এবং স্কুল পর্যায়ের অফিসার।
কমিশনের নির্দেশে মাইক্রো অবজারভারদের নিজের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে এবং কোনো কাজ আউটসোর্স করা চলবে না। যদি কেউ নির্দেশ অমান্য করে, তাহলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
গত শুক্রবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সকল জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে সতর্ক করেছিলেন, “কাজে কোনো গাফিলতি tolerable নয়। ইচ্ছাকৃত ভুল করলে ছাড় দেওয়া হবে না।” মাত্র দু’দিনের মধ্যে প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং সাসপেনশন কার্যকর হয়েছে।
এতে স্পষ্ট যে কমিশন ভোটপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কর্মকর্তাদের জন্য এটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে, যাতে ভবিষ্যতে দায়িত্বে অবহেলা না ঘটে।
এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা রক্ষার প্রতি দায়বদ্ধতা তুলে ধরেছে।
