
খোলা বাজারে যত্রতত্র মাংস বিক্রি করা চলবে না। এমনই কড়া সতর্ক বার্তা বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহার। যারা এই নিয়ম লঙ্ঘন করবের তাদের বিরদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্ক বার্তা দিয়েছেন এমনকি দিতে হবে জরিমানাও।
বিহার বিধান পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন অর্থাৎ সোমবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহা ঘোষণা করেন, শহরের অনেক জায়গাতে রাস্তার পাশে বা ফুটপাতে বা কোন খোলা জায়গায় মাছ মাংস বিক্রি হয়। যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যনত ঝুকিপূর্ণ এবং পরিবেশ দূষণের কারণ এটি। তিনি বলেন, এখন থেকে মাছ- মাংস বিক্রেতাদের ৩৪৫ এর অধীনে লাইসেন্স নিতে হবে। বিনা লাইসেন্সে ছাড়া কোন বিক্রয়কেন্দ্র দোকান চালানো যাবে না।
নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন সরকারের এহেন ঘোষণা রাজ্যের স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর। তবে এই নিয়ম শুধু পাটনা নয়, রাজ্যের সব নগর নিগম, পৌরসভা এবং শহরের এলাকায় কার্যকর হবে।উপ-মুখ্যমন্ত্রী সিনহা স্পষ্ট করে বলেছেন, যারা নিয়ম ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এছাড়াও পৌরসভা গুলোকে লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া সহজ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে বৈধ ব্যবসায়ীরা সহজে নিয়ম মেনে চলতে পারেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ-মাংস নিষিদ্ধ করে দেবে। তিনি আরও বলেন, আমি শুনেছি বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, খোলা বাজারে মাছ-মাংস বিক্রি করা যাবে না। যাদের লাইসেন্স আছে তারাই মাংস বিক্রি করতে পারবেন । তাহলে কি সবাই এখন শপিং মলে মাছ-মাংস বিক্রি করবে?এই প্রশ্ন তোলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
অপরদিকে বিহার সরকারের এই সিদ্ধান্তের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, বাস্তবে এই নিয়ম কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর প্রশাসনের নজরদারির উপর। অনেক জায়গায় দেখা যায়, অভিযানের পর আবার পুরনো অবস্থা ফিরে আসে। বর্তমানে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই নিয়ম নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
